ইরানকে একটি নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে সই করতে বাধ্য করতে এবার ১০ দিনের চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গাজায় আয়োজিত 'বোর্ড অব পিস' সম্মেলনে তিনি এই কড়া বার্তা দেন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইরান সম্মানজনক চুক্তিতে না পৌঁছালে দেশটিতে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই হুমকির পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি করছে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্পের নির্দেশে ইতিমধ্যে এই অঞ্চলে হাজার হাজার অতিরিক্ত সেনা পাঠানো হয়েছে এবং নতুন করে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ ও বিধ্বংসী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে যেকোনো সময়, এমনকি আগামী শনিবারের মধ্যেই ইরানে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু হতে পারে। তবে এই হামলার ধরণ বা পরিধি কেমন হবে, সে সম্পর্কে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত দেননি।
মার্কিন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করা। অন্যদিকে, তেহরানও এই হুমকির মুখে পিছু হটেনি। ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ভয়াবহ পাল্টা আক্রমণ চালানো হবে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে পুরো মধ্যপ্রাচ্য বর্তমানে এক চরম যুদ্ধবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানকে একটি নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে সই করতে বাধ্য করতে এবার ১০ দিনের চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গাজায় আয়োজিত 'বোর্ড অব পিস' সম্মেলনে তিনি এই কড়া বার্তা দেন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইরান সম্মানজনক চুক্তিতে না পৌঁছালে দেশটিতে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই হুমকির পরপরই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি করছে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্পের নির্দেশে ইতিমধ্যে এই অঞ্চলে হাজার হাজার অতিরিক্ত সেনা পাঠানো হয়েছে এবং নতুন করে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ ও বিধ্বংসী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে যেকোনো সময়, এমনকি আগামী শনিবারের মধ্যেই ইরানে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু হতে পারে। তবে এই হামলার ধরণ বা পরিধি কেমন হবে, সে সম্পর্কে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত দেননি।
মার্কিন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করা। অন্যদিকে, তেহরানও এই হুমকির মুখে পিছু হটেনি। ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ভয়াবহ পাল্টা আক্রমণ চালানো হবে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে পুরো মধ্যপ্রাচ্য বর্তমানে এক চরম যুদ্ধবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন