ইরানকে একটি নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে সই করতে বাধ্য করার লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটিতে সীমিত আকারে সামরিক হামলার পরিকল্পনা করছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে যে, ট্রাম্প বর্তমানে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা থেকে শুরু করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনার মতো বিভিন্ন বিকল্প পর্যালোচনা করছেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্যমতে, এই অভিযান অনুমোদিত হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তা কার্যকর হতে পারে, যার প্রাথমিক লক্ষ্য হবে ইরানের নির্দিষ্ট সামরিক স্থাপনা বা সরকারি দপ্তর।
ওয়াশিংটনের কৌশল হলো তেহরানকে বড় কোনো যুদ্ধে উস্কানি না দিয়েও ব্যাপক চাপে রাখা। তবে ইরান যদি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ না করে, তবে হামলার পরিধি বাড়িয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের অভিযান চালানো হতে পারে। ট্রাম্প মূলত পর্যায়ক্রমে হামলার তীব্রতা বাড়ানোর পক্ষপাতী, যাতে ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগ করতে বাধ্য হয় অথবা দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আসে।
এদিকে বিশ্লেষকরা ট্রাম্পের এই সম্ভাব্য পদক্ষেপকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, এমন হামলা ইরানকে পাল্টা আক্রমণে উস্কানি দিতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে একটি দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের জন্য চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করবে। এছাড়া হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন এই অঞ্চলে সংঘাত শুরু হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। তেহরানও ইতিমধ্যে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে।
ট্রাম্পের এই সামরিক পরিকল্পনার বিপরীতে ইরান বা ইসরায়েলের সাম্প্রতিক কোনো প্রতিক্রিয়া কি আপনি জানতে চান? আমি সর্বশেষ খবরগুলো খুঁজে দেখতে পারি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানকে একটি নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে সই করতে বাধ্য করার লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটিতে সীমিত আকারে সামরিক হামলার পরিকল্পনা করছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে যে, ট্রাম্প বর্তমানে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা থেকে শুরু করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনার মতো বিভিন্ন বিকল্প পর্যালোচনা করছেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্যমতে, এই অভিযান অনুমোদিত হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তা কার্যকর হতে পারে, যার প্রাথমিক লক্ষ্য হবে ইরানের নির্দিষ্ট সামরিক স্থাপনা বা সরকারি দপ্তর।
ওয়াশিংটনের কৌশল হলো তেহরানকে বড় কোনো যুদ্ধে উস্কানি না দিয়েও ব্যাপক চাপে রাখা। তবে ইরান যদি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ না করে, তবে হামলার পরিধি বাড়িয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের অভিযান চালানো হতে পারে। ট্রাম্প মূলত পর্যায়ক্রমে হামলার তীব্রতা বাড়ানোর পক্ষপাতী, যাতে ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগ করতে বাধ্য হয় অথবা দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আসে।
এদিকে বিশ্লেষকরা ট্রাম্পের এই সম্ভাব্য পদক্ষেপকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, এমন হামলা ইরানকে পাল্টা আক্রমণে উস্কানি দিতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে একটি দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের জন্য চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করবে। এছাড়া হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন এই অঞ্চলে সংঘাত শুরু হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। তেহরানও ইতিমধ্যে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে।
ট্রাম্পের এই সামরিক পরিকল্পনার বিপরীতে ইরান বা ইসরায়েলের সাম্প্রতিক কোনো প্রতিক্রিয়া কি আপনি জানতে চান? আমি সর্বশেষ খবরগুলো খুঁজে দেখতে পারি।

আপনার মতামত লিখুন