দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত বুধবার মধ্যরাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় সংবাদ সম্মেলনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সংবাদ সম্মেলন রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
এতে উপস্থিত থাকবেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদের প্রথম দিনে শপথ গ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা এবং বিএনপি জোটের সঙ্গে মতপার্থক্যের প্রেক্ষাপটে সংবাদ সম্মেলনকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশেষভাবে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’–এর শপথ বর্জন এবং পরবর্তী করণীয় বিষয়ে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিতে পারে। এর আগে গত মঙ্গলবার এনসিপি ও এর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট জানিয়েছিল, যদি বিএনপি জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করে, তবে তারা নিজেও শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে পারে।
আজকের সংবাদ সম্মেলনে এই শপথ সংক্রান্ত অচলাবস্থা সমাধান, এনসিপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং দেশের সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মিডিয়ার জন্য পাঠানো আমন্ত্রণে সমসাময়িক রাজনৈতিক সংকটের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার ইঙ্গিত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত বুধবার মধ্যরাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় সংবাদ সম্মেলনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সংবাদ সম্মেলন রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
এতে উপস্থিত থাকবেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদের প্রথম দিনে শপথ গ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা এবং বিএনপি জোটের সঙ্গে মতপার্থক্যের প্রেক্ষাপটে সংবাদ সম্মেলনকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশেষভাবে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’–এর শপথ বর্জন এবং পরবর্তী করণীয় বিষয়ে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিতে পারে। এর আগে গত মঙ্গলবার এনসিপি ও এর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট জানিয়েছিল, যদি বিএনপি জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করে, তবে তারা নিজেও শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে পারে।
আজকের সংবাদ সম্মেলনে এই শপথ সংক্রান্ত অচলাবস্থা সমাধান, এনসিপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং দেশের সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মিডিয়ার জন্য পাঠানো আমন্ত্রণে সমসাময়িক রাজনৈতিক সংকটের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার ইঙ্গিত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন