বসন্তের আগমনে প্রকৃতিতে পরিবর্তনের আভাস মিললেও বৃষ্টির অভাবে রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণ পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার একিউআই স্কোর ছিল ২৭৬, যা পরিবেশ বিজ্ঞানের মানদণ্ড অনুযায়ী ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ স্তরে পড়ে।
দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টিহীন শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ধুলোবালু ও ক্ষতিকর কণার পরিমাণ বাতাসে বেড়ে যাওয়াকে দূষণের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে সামান্য বৃষ্টির পর দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় দূষিত কণার ঘনত্ব বাড়তে থাকে।
আইকিউএয়ারের বৈশ্বিক তালিকায় একই সময়ে পাকিস্তানের লাহোর ২৬৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ভারতের দিল্লি ১৯৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় এবং কলকাতা ১৯৩ স্কোর নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। তালিকার পঞ্চম স্থানে থাকা চীনের ইউহান শহরের একিউআই স্কোর ছিল ১৭২। দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে গত কয়েক দিন ধরেই বায়ুদূষণের তীব্রতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বায়ুমান সূচকের মানদণ্ড অনুযায়ী, একিউআই স্কোর ০–৫০ হলে তা ‘ভালো’, ৫১–১০০ হলে ‘মাঝারি’, ১০১–১৫০ হলে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১–২০০ হলে সাধারণ মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০১–৩০০ স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০০-এর বেশি হলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ শ্রেণিতে রাখা হয়। ঢাকার বর্তমান স্কোর ২৭৬ হওয়ায় এটি ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ স্তরে রয়েছে।
চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশু, প্রবীণ এবং শ্বাসকষ্টসহ শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁরা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পাশাপাশি বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহারের এবং দীর্ঘ সময় কায়িক পরিশ্রম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদে এমন দূষিত বাতাস নগরবাসীর জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। ঢাকার বায়ুমান নিয়ন্ত্রণে কার্যকর সরকারি পদক্ষেপ এবং পরিবেশবান্ধব নীতিমালার বাস্তবায়নের পাশাপাশি আবহাওয়ার পরিবর্তন, বিশেষ করে বৃষ্টির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বসন্তের আগমনে প্রকৃতিতে পরিবর্তনের আভাস মিললেও বৃষ্টির অভাবে রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণ পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার একিউআই স্কোর ছিল ২৭৬, যা পরিবেশ বিজ্ঞানের মানদণ্ড অনুযায়ী ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ স্তরে পড়ে।
দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টিহীন শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ধুলোবালু ও ক্ষতিকর কণার পরিমাণ বাতাসে বেড়ে যাওয়াকে দূষণের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে সামান্য বৃষ্টির পর দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় দূষিত কণার ঘনত্ব বাড়তে থাকে।
আইকিউএয়ারের বৈশ্বিক তালিকায় একই সময়ে পাকিস্তানের লাহোর ২৬৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ভারতের দিল্লি ১৯৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় এবং কলকাতা ১৯৩ স্কোর নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। তালিকার পঞ্চম স্থানে থাকা চীনের ইউহান শহরের একিউআই স্কোর ছিল ১৭২। দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে গত কয়েক দিন ধরেই বায়ুদূষণের তীব্রতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বায়ুমান সূচকের মানদণ্ড অনুযায়ী, একিউআই স্কোর ০–৫০ হলে তা ‘ভালো’, ৫১–১০০ হলে ‘মাঝারি’, ১০১–১৫০ হলে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১–২০০ হলে সাধারণ মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০১–৩০০ স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০০-এর বেশি হলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ শ্রেণিতে রাখা হয়। ঢাকার বর্তমান স্কোর ২৭৬ হওয়ায় এটি ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ স্তরে রয়েছে।
চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশু, প্রবীণ এবং শ্বাসকষ্টসহ শ্বাসযন্ত্রজনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁরা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পাশাপাশি বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহারের এবং দীর্ঘ সময় কায়িক পরিশ্রম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদে এমন দূষিত বাতাস নগরবাসীর জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। ঢাকার বায়ুমান নিয়ন্ত্রণে কার্যকর সরকারি পদক্ষেপ এবং পরিবেশবান্ধব নীতিমালার বাস্তবায়নের পাশাপাশি আবহাওয়ার পরিবর্তন, বিশেষ করে বৃষ্টির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন