শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্ট আজ একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংসদ সদস্যদের পেনশন বাতিলের বিল উচ্চ ভোটে পাস হয়েছে। মোট ২২৫ সদস্যের মধ্যে ১৫৪ জন বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, মাত্র ২ জন বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন, বাকিরা অনুপস্থিত ছিলেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এমপি হিসেবে দায়িত্ব শেষ করলেই আর পেনশন পাওয়া যাবে না। পূর্বে পাঁচ বছরের সেবা শেষে এমপিরা পেনশন পেতেন।
সরকার এই পদক্ষেপকে অর্থনৈতিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দুর্নীতি হ্রাসের অংশ হিসেবে দেখছে। প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে’র প্রশাসন বলছে, দেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক দুর্নীতি কমাতে এমপিদের অতিরিক্ত সুবিধা সীমিত করা জরুরি। দেশটি ২০২২ সালের অর্থনৈতিক ডিফল্টের পর এখনও সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার কারণে সাধারণ জনগণের মধ্যে নেতাদের বিশেষ সুবিধা নিয়ে অসন্তোষ ব্যাপক।
বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। সাজিথ প্রেমাদাসা উল্লেখ করেছেন, এই পদক্ষেপ জনসাধারণের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পেনশন সমস্যার দিকে মনোযোগ না দিয়ে কেবল এমপিদের সুবিধা বাতিল করছে। কিছু সাবেক নেতা বলেন, এমপি পেনশন তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়বহুল ছিল এবং এটি বাতিল করলে রাজনীতিতে সাধারণ ও মেধাবী মানুষের সুযোগ সীমিত হবে, ফলে শুধুমাত্র ধনী ও ক্ষমতাসীনরা সুযোগ পাবে।
শ্রীলঙ্কার এই পদক্ষেপকে দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও রাজনৈতিক পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এর সামাজিক প্রভাব ও রাজনৈতিক বিতর্কও এখনই চোখে পড়ছে। দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক মহল সতর্ক নজরে এই সিদ্ধান্তের ফলাফল পর্যবেক্ষণ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্ট আজ একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংসদ সদস্যদের পেনশন বাতিলের বিল উচ্চ ভোটে পাস হয়েছে। মোট ২২৫ সদস্যের মধ্যে ১৫৪ জন বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, মাত্র ২ জন বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন, বাকিরা অনুপস্থিত ছিলেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এমপি হিসেবে দায়িত্ব শেষ করলেই আর পেনশন পাওয়া যাবে না। পূর্বে পাঁচ বছরের সেবা শেষে এমপিরা পেনশন পেতেন।
সরকার এই পদক্ষেপকে অর্থনৈতিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দুর্নীতি হ্রাসের অংশ হিসেবে দেখছে। প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে’র প্রশাসন বলছে, দেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক দুর্নীতি কমাতে এমপিদের অতিরিক্ত সুবিধা সীমিত করা জরুরি। দেশটি ২০২২ সালের অর্থনৈতিক ডিফল্টের পর এখনও সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার কারণে সাধারণ জনগণের মধ্যে নেতাদের বিশেষ সুবিধা নিয়ে অসন্তোষ ব্যাপক।
বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। সাজিথ প্রেমাদাসা উল্লেখ করেছেন, এই পদক্ষেপ জনসাধারণের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পেনশন সমস্যার দিকে মনোযোগ না দিয়ে কেবল এমপিদের সুবিধা বাতিল করছে। কিছু সাবেক নেতা বলেন, এমপি পেনশন তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়বহুল ছিল এবং এটি বাতিল করলে রাজনীতিতে সাধারণ ও মেধাবী মানুষের সুযোগ সীমিত হবে, ফলে শুধুমাত্র ধনী ও ক্ষমতাসীনরা সুযোগ পাবে।
শ্রীলঙ্কার এই পদক্ষেপকে দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও রাজনৈতিক পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এর সামাজিক প্রভাব ও রাজনৈতিক বিতর্কও এখনই চোখে পড়ছে। দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক মহল সতর্ক নজরে এই সিদ্ধান্তের ফলাফল পর্যবেক্ষণ করছে।

আপনার মতামত লিখুন