পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা ও তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টে দাখিল করেছেন অভিনেতা ও প্রযোজক শাহিদ ইমাম।
শাহিদের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে সোহম “পাকা দেখা” ছবিতে বিনিয়োগের জন্য প্রায় ৬৮ লাখ টাকা ধার নেন। এর মধ্যে ইতোমধ্যেই সোহম ২৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন, কিন্তু বাকি ৪৩ লাখ টাকা ফেরত দেননি। অভিযোগে বলা হয়েছে, সময়মতো টাকা ফেরত না দেওয়ায় এবং যোগাযোগ কমিয়ে দেওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হয়েছেন শাহিদ।
সোহম চক্রবর্তীর পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, “হুমকির যে অভিযোগ আছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি টাকা শোধ করতে সদা আগ্রহী।” চলতি ছবির মুক্তি ও বাংলা ছবির আর্থিক পরিস্থিতি ঠিক না হওয়ায় বাকি টাকা শোধে দেরি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন সোহম। এছাড়া তিনি জানিয়েছেন, যদি শাহিদ আইনি পথে যান, তিনি নিজেও পদক্ষেপ নেবেন।
মামলাটি এমন সময়ে এসেছে যখন পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। তাই এই ঋণখেলাপির মামলা রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেও প্রবেশ করেছে। অভিযোগটি কলকাতার চারু মার্কেট থানায় লিখিতভাবে দায়ের করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মামলার ফলাফল দুই অভিনেতা ও রাজনীতিকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ, এবং পশ্চিমবঙ্গের বিনোদন ও রাজনীতি ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা ও তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টে দাখিল করেছেন অভিনেতা ও প্রযোজক শাহিদ ইমাম।
শাহিদের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে সোহম “পাকা দেখা” ছবিতে বিনিয়োগের জন্য প্রায় ৬৮ লাখ টাকা ধার নেন। এর মধ্যে ইতোমধ্যেই সোহম ২৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন, কিন্তু বাকি ৪৩ লাখ টাকা ফেরত দেননি। অভিযোগে বলা হয়েছে, সময়মতো টাকা ফেরত না দেওয়ায় এবং যোগাযোগ কমিয়ে দেওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হয়েছেন শাহিদ।
সোহম চক্রবর্তীর পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, “হুমকির যে অভিযোগ আছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি টাকা শোধ করতে সদা আগ্রহী।” চলতি ছবির মুক্তি ও বাংলা ছবির আর্থিক পরিস্থিতি ঠিক না হওয়ায় বাকি টাকা শোধে দেরি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন সোহম। এছাড়া তিনি জানিয়েছেন, যদি শাহিদ আইনি পথে যান, তিনি নিজেও পদক্ষেপ নেবেন।
মামলাটি এমন সময়ে এসেছে যখন পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। তাই এই ঋণখেলাপির মামলা রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেও প্রবেশ করেছে। অভিযোগটি কলকাতার চারু মার্কেট থানায় লিখিতভাবে দায়ের করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মামলার ফলাফল দুই অভিনেতা ও রাজনীতিকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ, এবং পশ্চিমবঙ্গের বিনোদন ও রাজনীতি ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন