বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে এক শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাতে নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার আরজু মৃধা বরিশাল জেলা শ্রমিক দলের সদস্য এবং নথুল্লাবাদ শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় মোশারফ হোসেনসহ উভয় পক্ষের কয়েকজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পর শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর মোশারফ হোসেন ও তার অনুসারীরা বরিশাল বাস মালিক গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং পরে নিজেকে সংগঠনের সভাপতি ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সিন্ডিকেট গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাস মালিক গ্রুপের নেতাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
মারধরের শিকার আরজু মৃধা সাংবাদিকদের বলেন, তিনি শ্রমিকদের নিয়ে মঙ্গলবার রাতে ইউনিয়ন কার্যালয়ে গেলে মোশারফ হোসেন ও শ্রমিক ইউনিয়নের কথিত সাধারণ সম্পাদক মোস্তফাসহ কয়েকজন তার ওপর হামলা চালান। এ সময় তাকে এবং তার সঙ্গে থাকা অন্যদের মারধর করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, ইউনিয়নে প্রতিবাদ করায় তাকে দীর্ঘদিন প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মারধরের অভিযোগ স্বীকার করে মোশারফ হোসেন বলেন, আরজু মৃধা শ্রমিক ইউনিয়ন দখলের চেষ্টা করছিলেন এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। তার দাবি, ইউনিয়ন দখলের চেষ্টা ঠেকাতে তাকে “হালকা মারধর করে” বের করে দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুস সালাম জানান, শ্রমিক ইউনিয়নের চেয়ারে বসা নিয়ে মালিক ও শ্রমিক পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে তিনি জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে এক শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাতে নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার আরজু মৃধা বরিশাল জেলা শ্রমিক দলের সদস্য এবং নথুল্লাবাদ শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় মোশারফ হোসেনসহ উভয় পক্ষের কয়েকজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পর শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর মোশারফ হোসেন ও তার অনুসারীরা বরিশাল বাস মালিক গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং পরে নিজেকে সংগঠনের সভাপতি ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সিন্ডিকেট গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাস মালিক গ্রুপের নেতাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
মারধরের শিকার আরজু মৃধা সাংবাদিকদের বলেন, তিনি শ্রমিকদের নিয়ে মঙ্গলবার রাতে ইউনিয়ন কার্যালয়ে গেলে মোশারফ হোসেন ও শ্রমিক ইউনিয়নের কথিত সাধারণ সম্পাদক মোস্তফাসহ কয়েকজন তার ওপর হামলা চালান। এ সময় তাকে এবং তার সঙ্গে থাকা অন্যদের মারধর করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, ইউনিয়নে প্রতিবাদ করায় তাকে দীর্ঘদিন প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মারধরের অভিযোগ স্বীকার করে মোশারফ হোসেন বলেন, আরজু মৃধা শ্রমিক ইউনিয়ন দখলের চেষ্টা করছিলেন এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। তার দাবি, ইউনিয়ন দখলের চেষ্টা ঠেকাতে তাকে “হালকা মারধর করে” বের করে দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুস সালাম জানান, শ্রমিক ইউনিয়নের চেয়ারে বসা নিয়ে মালিক ও শ্রমিক পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন