বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) গভীর রাতে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লাখো ব্যবহারকারী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করেন, ভিডিও দেখা যাচ্ছে না এবং হোমপেজ ঠিকমতো খুলছে না।
ইউটিউব কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, "এখন যদি ইউটিউবে ঢুকতে সমস্যা হয়, আপনি একা নন। আমাদের টিম বিষয়টি দেখছে।"
পরে তারা জানায়, ভিডিও সাজেশন বা রেকমেন্ডেশন সিস্টেমে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। এ কারণে হোমপেজ, ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক এবং ইউটিউব কিডসে ভিডিও দেখা যাচ্ছিল না। কোম্পানি আরও জানায়, হোমপেজ আবার চালু হয়েছে, তবে পুরোপুরি সমাধান আনতে তারা এখনো কাজ করছে।
সমস্যা পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউন ডিটেক্টর জানিয়েছে, একসময় তাদের কাছে ৩ লাখের বেশি ব্যবহারকারী সমস্যার কথা জানান। রাত ১টা (জিএমটি) অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টার দিকে অভিযোগের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল এবং এরপর ধীরে ধীরে তা কমতে থাকে।
সবচেয়ে খারাপ সময়ে অনেক ব্যবহারকারী ইউটিউবের হোমপেজে গিয়ে 'পরে আবার চেষ্টা করুন' বার্তা দেখতে পান। গুগলের মালিকানাধীন এই প্ল্যাটফর্মে প্রতি মাসে ২৫০ কোটিরও বেশি মানুষ সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করেন। তাই হঠাৎ এই ধরনের প্রযুক্তিগত বিভ্রাট বিশ্বজুড়ে ব্যাপক অসন্তোষ ও অস্বস্তি তৈরি করে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) গভীর রাতে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লাখো ব্যবহারকারী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করেন, ভিডিও দেখা যাচ্ছে না এবং হোমপেজ ঠিকমতো খুলছে না।
ইউটিউব কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, "এখন যদি ইউটিউবে ঢুকতে সমস্যা হয়, আপনি একা নন। আমাদের টিম বিষয়টি দেখছে।"
পরে তারা জানায়, ভিডিও সাজেশন বা রেকমেন্ডেশন সিস্টেমে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। এ কারণে হোমপেজ, ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক এবং ইউটিউব কিডসে ভিডিও দেখা যাচ্ছিল না। কোম্পানি আরও জানায়, হোমপেজ আবার চালু হয়েছে, তবে পুরোপুরি সমাধান আনতে তারা এখনো কাজ করছে।
সমস্যা পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউন ডিটেক্টর জানিয়েছে, একসময় তাদের কাছে ৩ লাখের বেশি ব্যবহারকারী সমস্যার কথা জানান। রাত ১টা (জিএমটি) অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টার দিকে অভিযোগের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল এবং এরপর ধীরে ধীরে তা কমতে থাকে।
সবচেয়ে খারাপ সময়ে অনেক ব্যবহারকারী ইউটিউবের হোমপেজে গিয়ে 'পরে আবার চেষ্টা করুন' বার্তা দেখতে পান। গুগলের মালিকানাধীন এই প্ল্যাটফর্মে প্রতি মাসে ২৫০ কোটিরও বেশি মানুষ সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করেন। তাই হঠাৎ এই ধরনের প্রযুক্তিগত বিভ্রাট বিশ্বজুড়ে ব্যাপক অসন্তোষ ও অস্বস্তি তৈরি করে।

আপনার মতামত লিখুন