ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হওয়া এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের পর বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পরবর্তী ভূমিকা ও গন্তব্য নিয়ে দেশ-বিদেশে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
ক্ষমতা হস্তান্তরের পরও ড. ইউনূস এখনো তাঁর সরকারি বাসভবন ছাড়েননি এবং সেখানে আরও কিছুদিন অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, নতুন সরকার চাইলে সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে তাঁকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদে দেখতে চাইছেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
তবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির স্পষ্ট জানিয়েছেন, ড. ইউনূসসহ কাউকে নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট পদ চূড়ান্ত হয়নি। তাঁর মতে, তারেক রহমান অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থায় বিশ্বাস করেন এবং দেশের মেধাবী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করতে আগ্রহী। সেই পরিসরে ড. ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে, তবে কোনো সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব নিয়ে এখনো কোনো কথা হয়নি।
ব্রিটিশ মানবাধিকারকর্মী ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মত দিয়েছেন, ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে। তাঁর যুক্তি, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মনোযোগী একজন প্রধানমন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত একজন রাষ্ট্রপতির সমন্বয় কার্যকর হতে পারে। যদিও বিএনপি এবং ড. ইউনূসের প্রেস সচিব উভয় পক্ষই রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছেন বার্গম্যান।
অপরদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, ড. ইউনূস বাংলাদেশে কয়েক সপ্তাহ থাকার পর প্যারিস চলে যাবেন। তাঁর প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাফ জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে অন্য কোনো সরকারি বা সাংবিধানিক পদে যাওয়ার কোনো আগ্রহ নেই ড. ইউনূসের। তিনি শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণের ধারণা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া এবং নতুন সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে আগের কাজেই ফিরে যেতে চান।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। ফলে বঙ্গভবন না প্যারিস— তাঁর পরবর্তী গন্তব্য কোথায় হবে, তা সময়ই বলে দেবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হওয়া এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের পর বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পরবর্তী ভূমিকা ও গন্তব্য নিয়ে দেশ-বিদেশে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
ক্ষমতা হস্তান্তরের পরও ড. ইউনূস এখনো তাঁর সরকারি বাসভবন ছাড়েননি এবং সেখানে আরও কিছুদিন অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, নতুন সরকার চাইলে সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে তাঁকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদে দেখতে চাইছেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
তবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির স্পষ্ট জানিয়েছেন, ড. ইউনূসসহ কাউকে নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট পদ চূড়ান্ত হয়নি। তাঁর মতে, তারেক রহমান অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থায় বিশ্বাস করেন এবং দেশের মেধাবী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করতে আগ্রহী। সেই পরিসরে ড. ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে, তবে কোনো সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব নিয়ে এখনো কোনো কথা হয়নি।
ব্রিটিশ মানবাধিকারকর্মী ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মত দিয়েছেন, ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে। তাঁর যুক্তি, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মনোযোগী একজন প্রধানমন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত একজন রাষ্ট্রপতির সমন্বয় কার্যকর হতে পারে। যদিও বিএনপি এবং ড. ইউনূসের প্রেস সচিব উভয় পক্ষই রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছেন বার্গম্যান।
অপরদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, ড. ইউনূস বাংলাদেশে কয়েক সপ্তাহ থাকার পর প্যারিস চলে যাবেন। তাঁর প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাফ জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে অন্য কোনো সরকারি বা সাংবিধানিক পদে যাওয়ার কোনো আগ্রহ নেই ড. ইউনূসের। তিনি শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণের ধারণা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া এবং নতুন সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে আগের কাজেই ফিরে যেতে চান।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। ফলে বঙ্গভবন না প্যারিস— তাঁর পরবর্তী গন্তব্য কোথায় হবে, তা সময়ই বলে দেবে।

আপনার মতামত লিখুন