ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আজ সকাল সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনে সংসদীয় দলের বৈঠক শুরু করেছে। এটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পরপরেই। বৈঠকের প্রধান এজেন্ডা হলো দলের সংসদ সদস্যদের মধ্যে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা, যিনি পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যরা আজ সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে শপথ গ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। শপথগ্রহণের সময় সংসদ ভবনের পরিবেশে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছিল, যেখানে বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের সমর্থকরা ব্যাপক উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির এক নেতা জানিয়েছেন, এই বৈঠকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হবে এবং সেই নেতাই ক্ষমতায় যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ পাবেন, ইনশাআল্লাহ। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে এই পদে নির্বাচিত করার পরিকল্পনা নিয়েই বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিপুল জয় লাভ করেছে। দলটি ২৯৯ সদস্য বিশিষ্ট সংসদে প্রায় ২০৯টি আসন জিতেছে, ফলে সরকার গঠনের পথে সকল প্রস্তুতি এখন ত্বরান্বিত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ ২০ বছর পর বিরোধী অবস্থান থেকে ক্ষমতায় আসা বিএনপির এই জয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংসদীয় দলের বৈঠকের পর বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে। পদ্ধতি অনুযায়ী, শপথগ্রহণের পর সংসদীয় নেতা নির্বাচিত হলে তাকে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে, এবং এরপর তিনি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করবেন।
রাজনীতিক ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে এই পরিবর্তনকে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফল ও ক্ষমতায় যাওয়ার প্রস্তুতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আজ সকাল সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনে সংসদীয় দলের বৈঠক শুরু করেছে। এটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পরপরেই। বৈঠকের প্রধান এজেন্ডা হলো দলের সংসদ সদস্যদের মধ্যে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা, যিনি পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যরা আজ সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে শপথ গ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। শপথগ্রহণের সময় সংসদ ভবনের পরিবেশে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছিল, যেখানে বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের সমর্থকরা ব্যাপক উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির এক নেতা জানিয়েছেন, এই বৈঠকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হবে এবং সেই নেতাই ক্ষমতায় যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ পাবেন, ইনশাআল্লাহ। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে এই পদে নির্বাচিত করার পরিকল্পনা নিয়েই বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিপুল জয় লাভ করেছে। দলটি ২৯৯ সদস্য বিশিষ্ট সংসদে প্রায় ২০৯টি আসন জিতেছে, ফলে সরকার গঠনের পথে সকল প্রস্তুতি এখন ত্বরান্বিত হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ ২০ বছর পর বিরোধী অবস্থান থেকে ক্ষমতায় আসা বিএনপির এই জয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংসদীয় দলের বৈঠকের পর বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে। পদ্ধতি অনুযায়ী, শপথগ্রহণের পর সংসদীয় নেতা নির্বাচিত হলে তাকে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে, এবং এরপর তিনি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করবেন।
রাজনীতিক ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে এই পরিবর্তনকে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফল ও ক্ষমতায় যাওয়ার প্রস্তুতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন