ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন যথাক্রমে স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। এর আগে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ে এবং পরবর্তীতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
অপরদিকে, কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসন থেকে নির্বাচিত খন্দকার মোশাররফ হোসেনও আজ সকালে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। বিকেলে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এবং ১৯৯৬ সালে স্বল্প সময়ের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।
উল্লেখযোগ্য যে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও খন্দকার মোশাররফ হোসেন— এই দুই নেতাই সম্প্রতি সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে রাজনৈতিক মহলে আলোচিত হয়েছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন যথাক্রমে স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। এর আগে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ে এবং পরবর্তীতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
অপরদিকে, কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসন থেকে নির্বাচিত খন্দকার মোশাররফ হোসেনও আজ সকালে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। বিকেলে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এবং ১৯৯৬ সালে স্বল্প সময়ের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।
উল্লেখযোগ্য যে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও খন্দকার মোশাররফ হোসেন— এই দুই নেতাই সম্প্রতি সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে রাজনৈতিক মহলে আলোচিত হয়েছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন