সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার দুই দিনব্যাপী শান্তি সংলাপ। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই বৈঠকের মূল আলোচনার বিষয় হলো অধিকৃত ভূখণ্ড ছাড়। তবে ক্রেমলিনের অনড় অবস্থান এবং কিয়েভের ওপর আন্তর্জাতিক চাপের কারণে বৈঠক থেকে বড় কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
মস্কো পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের অবশিষ্ট ২০ শতাংশ এলাকা দাবি করছে, যা তারা এখনও দখল করতে পারেনি। অন্যদিকে ইউক্রেন নিজেদের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে রাজি নয়। রাশিয়ার পক্ষের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন প্রেসিডেন্ট পুতিনের উপদেষ্টা ভ্লাদিমির মেদিনস্কি, সামরিক গোয়েন্দা প্রধান ইগর কস্তিউকভ এবং অর্থনৈতিক বিষয়ের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভ।
ইউক্রেনের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকছেন জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব রুস্তেম উমেরভ এবং প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির চিফ অব স্টাফ কিরিলো বুদানভ। জেনেভার আগে উমেরভ পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, তাদের লক্ষ্য একটি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি।
বৈঠকে শুধুমাত্র ভূখণ্ড ছাড় নয়, জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে এবং যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনাদের ভূমিকা কী হবে—তাও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেবেন স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার।
এবারের বৈঠক ইউক্রেনের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের চার বছর পূর্ণ হবে। যুদ্ধের এই দীর্ঘ সময়ে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং কয়েক মিলিয়ন মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়েছে। বর্তমানে রাশিয়ার দখলে ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড রয়েছে, শীতের এই সময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস হওয়ায় লাখ লাখ মানুষ চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার দুই দিনব্যাপী শান্তি সংলাপ। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই বৈঠকের মূল আলোচনার বিষয় হলো অধিকৃত ভূখণ্ড ছাড়। তবে ক্রেমলিনের অনড় অবস্থান এবং কিয়েভের ওপর আন্তর্জাতিক চাপের কারণে বৈঠক থেকে বড় কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
মস্কো পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের অবশিষ্ট ২০ শতাংশ এলাকা দাবি করছে, যা তারা এখনও দখল করতে পারেনি। অন্যদিকে ইউক্রেন নিজেদের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে রাজি নয়। রাশিয়ার পক্ষের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন প্রেসিডেন্ট পুতিনের উপদেষ্টা ভ্লাদিমির মেদিনস্কি, সামরিক গোয়েন্দা প্রধান ইগর কস্তিউকভ এবং অর্থনৈতিক বিষয়ের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভ।
ইউক্রেনের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকছেন জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব রুস্তেম উমেরভ এবং প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির চিফ অব স্টাফ কিরিলো বুদানভ। জেনেভার আগে উমেরভ পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, তাদের লক্ষ্য একটি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি।
বৈঠকে শুধুমাত্র ভূখণ্ড ছাড় নয়, জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে এবং যুদ্ধ-পরবর্তী ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনাদের ভূমিকা কী হবে—তাও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেবেন স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার।
এবারের বৈঠক ইউক্রেনের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের চার বছর পূর্ণ হবে। যুদ্ধের এই দীর্ঘ সময়ে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং কয়েক মিলিয়ন মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়েছে। বর্তমানে রাশিয়ার দখলে ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড রয়েছে, শীতের এই সময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস হওয়ায় লাখ লাখ মানুষ চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে।

আপনার মতামত লিখুন