ভারতের অস্কারজয়ী সুরকার এআর রহমানকে ঘিরে বিতর্ক থামছেই না। সাম্প্রদায়িক বৈষম্য নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের জেরে সমালোচনার মুখে পড়ার পর এবার তাঁর বিরুদ্ধে গান চুরির অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় ধ্রুপদী গায়ক ওস্তাদ ফায়াজ ওয়াসিফুদ্দিন সাগর এ অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলার আবেদন করেছেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মণি রত্নম পরিচালিত তামিল চলচ্চিত্র পোন্নিয়িন সেলভান ২-এর ‘বীর রাজা বীর’ গানে তাঁর পুরোনো রচনা ‘শিব স্তুতি’র একটি অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি মুক্তির পর ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিল।
ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয় মাল্য বাগচীর সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চে মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, ডাগর বাণীর কোনো পরিচয়ের প্রয়োজন নেই; সমগ্র বিশ্ব ডাগর পরিবার ও তাঁদের ধ্রুপদ সংগীত সম্পর্কে অবগত এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা সম্মানিত শিল্পী।
বিচারপতি বাগচী বলেন, প্রকৃত স্রষ্টা কে তা নির্ধারণে তদন্ত প্রয়োজন। কেবল একটি গান পরিবেশন করলেই কেউ লেখক হয়ে যান না; প্রমাণ করতে হবে এর আগে অন্য কারও একই সুর ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন, আসামিপক্ষ ইতোমধ্যে স্বীকার করেছে যে তারা ডাগর ঐতিহ্যের অংশ।
এআর রহমানের আইনজীবী আদালতে বলেন, তাঁরা কখনও অন্য কারও অধিকার দাবি করেন না। তবে তাঁর মক্কেল যখন কোনো সৃষ্টিকর্ম করেন, তখন সেটির স্বত্ব দাবি করেন।
প্রথম দিনের শুনানি শেষে আদালত মামলার পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত বিষয়টি স্থগিত রাখেন। আগামী শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আবারও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের অস্কারজয়ী সুরকার এআর রহমানকে ঘিরে বিতর্ক থামছেই না। সাম্প্রদায়িক বৈষম্য নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের জেরে সমালোচনার মুখে পড়ার পর এবার তাঁর বিরুদ্ধে গান চুরির অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় ধ্রুপদী গায়ক ওস্তাদ ফায়াজ ওয়াসিফুদ্দিন সাগর এ অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলার আবেদন করেছেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মণি রত্নম পরিচালিত তামিল চলচ্চিত্র পোন্নিয়িন সেলভান ২-এর ‘বীর রাজা বীর’ গানে তাঁর পুরোনো রচনা ‘শিব স্তুতি’র একটি অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি মুক্তির পর ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিল।
ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয় মাল্য বাগচীর সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চে মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, ডাগর বাণীর কোনো পরিচয়ের প্রয়োজন নেই; সমগ্র বিশ্ব ডাগর পরিবার ও তাঁদের ধ্রুপদ সংগীত সম্পর্কে অবগত এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা সম্মানিত শিল্পী।
বিচারপতি বাগচী বলেন, প্রকৃত স্রষ্টা কে তা নির্ধারণে তদন্ত প্রয়োজন। কেবল একটি গান পরিবেশন করলেই কেউ লেখক হয়ে যান না; প্রমাণ করতে হবে এর আগে অন্য কারও একই সুর ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন, আসামিপক্ষ ইতোমধ্যে স্বীকার করেছে যে তারা ডাগর ঐতিহ্যের অংশ।
এআর রহমানের আইনজীবী আদালতে বলেন, তাঁরা কখনও অন্য কারও অধিকার দাবি করেন না। তবে তাঁর মক্কেল যখন কোনো সৃষ্টিকর্ম করেন, তখন সেটির স্বত্ব দাবি করেন।
প্রথম দিনের শুনানি শেষে আদালত মামলার পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত বিষয়টি স্থগিত রাখেন। আগামী শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আবারও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন