প্রখ্যাত মডেল ও অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক তাঁর পেশাগত দিক ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সম্প্রতি এক সংবাদ সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি আর সারা জীবন একই ধরনের কাজ করে আটকে থাকতে চান না। অভিনয়ের বাইরে নতুন ধরনের, সৃজনশীল উদ্যোগে নিজেকে আরও প্রকাশ করার প্রবল আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
চমক বর্তমানে ইংরেজি ভাষার ইনফো‑ডকুমেন্টারি সিরিজ “ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক”‑এর উপর কাজ করছেন, যেখানে বাংলাদেশের শিল্প, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনযাত্রার নানা দিক তুলে ধরা হচ্ছে। দ্বিতীয় মৌসুমের পঞ্চম পর্বে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম‑এর জীবন ও শিল্পকর্মকে কেন্দ্র করে একটি অংশ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। এর আগেও এই সিরিজে ইলিশ, কুমিল্লার খাদি, টাঙ্গাইলের চমচম ও কুষ্টিয়ার লালনের তিরোধান দিবসের মতো ঐতিহ্যবাহী বিষয়গুলো আলোচিত হয়েছে।
চমক বলেন, এই সিরিজটি শুধু ভ্রমণভ্লগ নয়, বরং বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরার চেষ্টা। কাজের পেছনে থাকে দীর্ঘ গবেষণা ও পরিকল্পনা; প্রথমদিকে তিনি নিজ উদ্যোগে কনটেন্ট তৈরি করলেও, দর্শকের সাড়া পেয়ে এখন পেশাদার একটি টিম নিয়ে কাজ করছেন।
গত বছর ভালোবাসা দিবস ও পয়লা ফাল্গুন উপলক্ষে তিনি চরকিতে মুক্তি পাওয়া স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘টিফিন বক্স’‑এও অভিনয় করেছেন, যা দর্শক ও সমালোচকদের কাছেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। তবে চমক বলেন, “আমি আসলে সারা জীবন একই কাজ করে মরে যেতে চাই না। ভালো বা ভিন্ন কিছু করার সুযোগ থাকলেই কেবল অভিনয়ে আসব; শুধু পর্দায় চেহারা দেখাতে এখন আর ইচ্ছা করে না।”
এছাড়া ব্যক্তিগত জীবনে, নতুন উদ্যোগে তাঁর স্বামী আজমান নাসিরের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। চমক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয়; বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে বক্তব্য দেন এবং নিজেকে মানুষের মধ্যে প্রভাবিত করার দায়িত্ব অনুভব করেন। তিনি মনে করেন, বিদেশি কনটেন্ট নির্মাতারা প্রায়ই বাংলাদেশের নেতিবাচক দিক তুলে ধরে থাকলেও, দেশি নির্মাতাদের কাজ ও সংস্কৃতি প্রচারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও স্বীকৃতি প্রয়োজন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রখ্যাত মডেল ও অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক তাঁর পেশাগত দিক ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সম্প্রতি এক সংবাদ সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি আর সারা জীবন একই ধরনের কাজ করে আটকে থাকতে চান না। অভিনয়ের বাইরে নতুন ধরনের, সৃজনশীল উদ্যোগে নিজেকে আরও প্রকাশ করার প্রবল আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
চমক বর্তমানে ইংরেজি ভাষার ইনফো‑ডকুমেন্টারি সিরিজ “ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক”‑এর উপর কাজ করছেন, যেখানে বাংলাদেশের শিল্প, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনযাত্রার নানা দিক তুলে ধরা হচ্ছে। দ্বিতীয় মৌসুমের পঞ্চম পর্বে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম‑এর জীবন ও শিল্পকর্মকে কেন্দ্র করে একটি অংশ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। এর আগেও এই সিরিজে ইলিশ, কুমিল্লার খাদি, টাঙ্গাইলের চমচম ও কুষ্টিয়ার লালনের তিরোধান দিবসের মতো ঐতিহ্যবাহী বিষয়গুলো আলোচিত হয়েছে।
চমক বলেন, এই সিরিজটি শুধু ভ্রমণভ্লগ নয়, বরং বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরার চেষ্টা। কাজের পেছনে থাকে দীর্ঘ গবেষণা ও পরিকল্পনা; প্রথমদিকে তিনি নিজ উদ্যোগে কনটেন্ট তৈরি করলেও, দর্শকের সাড়া পেয়ে এখন পেশাদার একটি টিম নিয়ে কাজ করছেন।
গত বছর ভালোবাসা দিবস ও পয়লা ফাল্গুন উপলক্ষে তিনি চরকিতে মুক্তি পাওয়া স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘টিফিন বক্স’‑এও অভিনয় করেছেন, যা দর্শক ও সমালোচকদের কাছেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। তবে চমক বলেন, “আমি আসলে সারা জীবন একই কাজ করে মরে যেতে চাই না। ভালো বা ভিন্ন কিছু করার সুযোগ থাকলেই কেবল অভিনয়ে আসব; শুধু পর্দায় চেহারা দেখাতে এখন আর ইচ্ছা করে না।”
এছাড়া ব্যক্তিগত জীবনে, নতুন উদ্যোগে তাঁর স্বামী আজমান নাসিরের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। চমক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয়; বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে বক্তব্য দেন এবং নিজেকে মানুষের মধ্যে প্রভাবিত করার দায়িত্ব অনুভব করেন। তিনি মনে করেন, বিদেশি কনটেন্ট নির্মাতারা প্রায়ই বাংলাদেশের নেতিবাচক দিক তুলে ধরে থাকলেও, দেশি নির্মাতাদের কাজ ও সংস্কৃতি প্রচারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও স্বীকৃতি প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন