মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার অরঙ্গবাদে চিত্রনায়ক ওমর সানী পরিচালিত ‘চাপওয়ালার শ্বশুরবাড়ি’ নামের রেস্তোরাঁয় এক কাস্টমারকে রেস্তোরাঁর কর্মী ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করেছে। আহত কাস্টমারের সঙ্গে তার বন্ধুরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, আতিকুর রহমান নামের কাস্টমার ও তার বন্ধুদের উপর রেস্তোরাঁর কর্মী লোহার রড, চাপাতি, ছুরি, কুড়াল, বেলচা ও বাঁশের লাঠি দিয়ে হামলা চালায়। পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠলে তারা রেস্তোরাঁ থেকে বের হয়ে সড়কে আসতে বাধ্য হন। এই সময় রান্নাঘরের একজন কর্মী মোঃ ইমরান আতিকুরকে ধারালো ছুরি দিয়ে পিঠে আঘাত করে গুরুতরভাবে আহত করে।
আহত আতিকুরকে প্রথমে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে চিকিৎসার জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। আতিকুরের চাচা মো. খলিলুল রহমান খান মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মোট ১৩ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন জানান, মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
রেস্তোরাঁর ম্যানেজার কিরণ খান জানান, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। অভিনেতা ওমর সানী ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, জনবল ঘাটতির কারণে তিনি কিছুদিন আগে অস্থায়ীভাবে লিখন নামে এক কর্মীকে নিয়োগ দিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, লিখনের চরিত্র সন্দেহজনক ছিল এবং তিনি মাদকাসক্ত ও অসদাচরণকারী।
ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকে রেস্তোরাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, আবার অনেকে অভিনেতা ওমর সানীকে আলাদা করে রাখার দাবি জানিয়েছেন।
এক কাস্টমারকে রেস্তোরাঁর কর্মী জখম করার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহত ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং পুলিশ তদন্ত করছে। ওমর সানী ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার অরঙ্গবাদে চিত্রনায়ক ওমর সানী পরিচালিত ‘চাপওয়ালার শ্বশুরবাড়ি’ নামের রেস্তোরাঁয় এক কাস্টমারকে রেস্তোরাঁর কর্মী ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করেছে। আহত কাস্টমারের সঙ্গে তার বন্ধুরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, আতিকুর রহমান নামের কাস্টমার ও তার বন্ধুদের উপর রেস্তোরাঁর কর্মী লোহার রড, চাপাতি, ছুরি, কুড়াল, বেলচা ও বাঁশের লাঠি দিয়ে হামলা চালায়। পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠলে তারা রেস্তোরাঁ থেকে বের হয়ে সড়কে আসতে বাধ্য হন। এই সময় রান্নাঘরের একজন কর্মী মোঃ ইমরান আতিকুরকে ধারালো ছুরি দিয়ে পিঠে আঘাত করে গুরুতরভাবে আহত করে।
আহত আতিকুরকে প্রথমে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে চিকিৎসার জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। আতিকুরের চাচা মো. খলিলুল রহমান খান মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মোট ১৩ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন জানান, মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
রেস্তোরাঁর ম্যানেজার কিরণ খান জানান, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। অভিনেতা ওমর সানী ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, জনবল ঘাটতির কারণে তিনি কিছুদিন আগে অস্থায়ীভাবে লিখন নামে এক কর্মীকে নিয়োগ দিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, লিখনের চরিত্র সন্দেহজনক ছিল এবং তিনি মাদকাসক্ত ও অসদাচরণকারী।
ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকে রেস্তোরাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, আবার অনেকে অভিনেতা ওমর সানীকে আলাদা করে রাখার দাবি জানিয়েছেন।
এক কাস্টমারকে রেস্তোরাঁর কর্মী জখম করার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহত ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং পুলিশ তদন্ত করছে। ওমর সানী ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন