তামিম ইকবাল সংসদ নির্বাচনে অংশ নেননি, যেমন অংশ নিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা। তবে সম্প্রতি গুঞ্জন ছড়ায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট সরকার গঠন করলে তাকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে। আলোচনায় উঠে আসে—নির্বাচনে অংশ না নেওয়া জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক টেকনোক্র্যাট কোটায় দায়িত্ব পেতে পারেন। তবে এ ধরনের গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তামিম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। নির্বাচনের আগে দলটির কয়েকজন প্রার্থীর প্রচারণায় তামিমকে দেখা যায়। সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন নানা আলোচনা চলছে, তখন সামাজিক মাধ্যমেও বিভিন্ন নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেই তালিকায় যুক্ত হয় তামিমের নাম।
সাবেক এই ওপেনারকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে ফেসবুকে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। অফিসিয়াল পেজে দেওয়া এক পোস্টে তামিম লেখেন, ‘আজ সারাদিন আমাকে ঘিরে মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা গুঞ্জন দেখেছি, যা পুরোপুরি মিথ্যা। এ ধরনের কোনো প্রস্তাব আমি পাইনি। ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।’
তামিমের পাশাপাশি আমিনুল ইসলাম-এর নাম নিয়েও আলোচনা চলছে। নির্বাচনের আগেই তাকে সম্ভাব্য ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে নিয়ে গুঞ্জন ওঠে। তবে বিএনপি থেকে ঢাকা-১৬ আসনে নির্বাচন করে তিনি জয়ী হতে পারেননি। ফলাফল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন স্থগিত ও বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ আলোচনা করছেন, শেষ পর্যন্ত নির্বাচিত না হলেও টেকনোক্র্যাট কোটায় তিনি দায়িত্ব পেতে পারেন।
প্রসঙ্গত, ৩৬ বছর বয়সে এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন তামিম। গত ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম-৯ আসনে ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন, ‘জীবনের প্রথম ভোট দিলাম। ভোট ভালোই হচ্ছে। পছন্দের প্রার্থীকে একটি ভোটই দিয়েছি।’

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তামিম ইকবাল সংসদ নির্বাচনে অংশ নেননি, যেমন অংশ নিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা। তবে সম্প্রতি গুঞ্জন ছড়ায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট সরকার গঠন করলে তাকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে। আলোচনায় উঠে আসে—নির্বাচনে অংশ না নেওয়া জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক টেকনোক্র্যাট কোটায় দায়িত্ব পেতে পারেন। তবে এ ধরনের গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তামিম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। নির্বাচনের আগে দলটির কয়েকজন প্রার্থীর প্রচারণায় তামিমকে দেখা যায়। সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন নানা আলোচনা চলছে, তখন সামাজিক মাধ্যমেও বিভিন্ন নাম ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেই তালিকায় যুক্ত হয় তামিমের নাম।
সাবেক এই ওপেনারকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে ফেসবুকে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। অফিসিয়াল পেজে দেওয়া এক পোস্টে তামিম লেখেন, ‘আজ সারাদিন আমাকে ঘিরে মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা গুঞ্জন দেখেছি, যা পুরোপুরি মিথ্যা। এ ধরনের কোনো প্রস্তাব আমি পাইনি। ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।’
তামিমের পাশাপাশি আমিনুল ইসলাম-এর নাম নিয়েও আলোচনা চলছে। নির্বাচনের আগেই তাকে সম্ভাব্য ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে নিয়ে গুঞ্জন ওঠে। তবে বিএনপি থেকে ঢাকা-১৬ আসনে নির্বাচন করে তিনি জয়ী হতে পারেননি। ফলাফল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন স্থগিত ও বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ আলোচনা করছেন, শেষ পর্যন্ত নির্বাচিত না হলেও টেকনোক্র্যাট কোটায় তিনি দায়িত্ব পেতে পারেন।
প্রসঙ্গত, ৩৬ বছর বয়সে এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন তামিম। গত ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম-৯ আসনে ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন, ‘জীবনের প্রথম ভোট দিলাম। ভোট ভালোই হচ্ছে। পছন্দের প্রার্থীকে একটি ভোটই দিয়েছি।’

আপনার মতামত লিখুন