ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ব্রহ্মপুত্রের তলদেশে আন্ডারওয়াটার সড়ক-রেল টানেল নির্মাণ করছে ভারত


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ব্রহ্মপুত্রের তলদেশে আন্ডারওয়াটার সড়ক-রেল টানেল নির্মাণ করছে ভারত


ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ব্রহ্মপুত্র নদের তলদেশে ১৫.৭৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক-রেল টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে। আসামের গোহপুর থেকে নুমালিগড় পর্যন্ত ৩৩.৭ কিলোমিটার নতুন করিডর গড়ে তোলার জন্য ১৮ হাজার ৬৬২ কোটি রুপি ব্যয় হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে ভারতের প্রথম আন্ডারওয়াটার রোড-কাম-রেল টানেল হবে এবং বিশ্বের দ্বিতীয় এ ধরনের টানেল হিসেবে পরিচিতি পাবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানেলটি চার লেনে নির্মাণ করা হবে এবং ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রোকিউরমেন্ট ও কনস্ট্রাকশন (ইপিসি) পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমানে কালিয়াভোমোরা সেতুপথে গোহপুর-নুমালিগড়ের দূরত্ব প্রায় ২৪০ কিলোমিটার, যা পাড়ি দিতে ছয় ঘণ্টা সময় লাগে। নতুন টানেল চালু হলে এই সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

নতুন করিডরটি দুটি জাতীয় মহাসড়ক (এনএইচ-১৫ ও এনএইচ-৭১৫) এবং দুটি রেলপথের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। গোহপুর প্রান্তে রাঙ্গিয়া-মুকংসেলেক রেলপথ এবং নুমালিগড় প্রান্তে ফুরকাটিং-মারিয়ানি লুপ লাইনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা হবে। এছাড়া ১১টি অর্থনৈতিক কেন্দ্র, তিনটি সামাজিক কেন্দ্র, দুটি পর্যটন কেন্দ্র এবং আটটি লজিস্টিক হাবের সঙ্গে সংযোগ জোরদার হবে।

কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, প্রকল্পটি কৌশলগত ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পরিবহন খরচ হ্রাস, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চার করবে। পাশাপাশি কাজীরাঙা জাতীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন শিল্প ও নগরকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগের মানও উন্নত হবে।

নতুন টানেল বাস্তবায়িত হলে আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ডসহ উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ব্রহ্মপুত্রের তলদেশে আন্ডারওয়াটার সড়ক-রেল টানেল নির্মাণ করছে ভারত

প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ব্রহ্মপুত্র নদের তলদেশে ১৫.৭৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক-রেল টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে। আসামের গোহপুর থেকে নুমালিগড় পর্যন্ত ৩৩.৭ কিলোমিটার নতুন করিডর গড়ে তোলার জন্য ১৮ হাজার ৬৬২ কোটি রুপি ব্যয় হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে ভারতের প্রথম আন্ডারওয়াটার রোড-কাম-রেল টানেল হবে এবং বিশ্বের দ্বিতীয় এ ধরনের টানেল হিসেবে পরিচিতি পাবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানেলটি চার লেনে নির্মাণ করা হবে এবং ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রোকিউরমেন্ট ও কনস্ট্রাকশন (ইপিসি) পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমানে কালিয়াভোমোরা সেতুপথে গোহপুর-নুমালিগড়ের দূরত্ব প্রায় ২৪০ কিলোমিটার, যা পাড়ি দিতে ছয় ঘণ্টা সময় লাগে। নতুন টানেল চালু হলে এই সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

নতুন করিডরটি দুটি জাতীয় মহাসড়ক (এনএইচ-১৫ ও এনএইচ-৭১৫) এবং দুটি রেলপথের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। গোহপুর প্রান্তে রাঙ্গিয়া-মুকংসেলেক রেলপথ এবং নুমালিগড় প্রান্তে ফুরকাটিং-মারিয়ানি লুপ লাইনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা হবে। এছাড়া ১১টি অর্থনৈতিক কেন্দ্র, তিনটি সামাজিক কেন্দ্র, দুটি পর্যটন কেন্দ্র এবং আটটি লজিস্টিক হাবের সঙ্গে সংযোগ জোরদার হবে।

কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, প্রকল্পটি কৌশলগত ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পরিবহন খরচ হ্রাস, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চার করবে। পাশাপাশি কাজীরাঙা জাতীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন শিল্প ও নগরকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগের মানও উন্নত হবে।

নতুন টানেল বাস্তবায়িত হলে আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ডসহ উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ