পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) কো-চেয়ারম্যান এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বলেছেন, দল ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সংগ্রাম করা এবং প্রয়োজনে কারাবরণ করা একজন নেতার মূল দায়িত্ব। কারাবাস কোনো ভীতির বিষয় নয়, বরং এটি ইবাদতের স্থান।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রহিম ইয়ার খান থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে জামালদিনওয়ালিতে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রদত্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খানের নাম সরাসরি উচ্চারণ না করেই জারদারি বলেন, মাত্র ১৮ মাস কারাবন্দি থাকার পরই কেউ কেউ জেলের পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ শুরু করেছেন।
কারাবন্দি ইমরান খানের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রেসিডেন্ট জারদারি বলেন, "কখনও তারা বলেন চোখে ব্যথা হচ্ছে, আবার কখনও অভিযোগ করেন সেখানে দুধ পাওয়া যাচ্ছে না। যারা এ ধরনের তুচ্ছ অভিযোগ করেন, তাদের ত্যাগের মানসিকতা ও সাহস—কোনোটিই নেই।"
নিজের অভিজ্ঞতার উল্লেখ করে জারদারি বলেন, "আমি নিজে ১৪ বছর কারাভোগ করেছি, অনেক কষ্ট সহ্য করেছি, কিন্তু কখনও সাহস হারাইনি। কারাগার হলো ইবাদতের জায়গা, আর যারা সেখানে ইবাদত করেন, তাদের দোয়া কবুল হয়।"
রাজনৈতিক কর্মীদের গ্রেফতারের ভয় না পাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তান পুনর্গঠন ও উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত তিনি পিছপা হবেন না। তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেন যে, আগামীতে পিপিপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হবে এবং বিলাওয়াল ভুট্টোকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করবে।
দেশের সম্পদ বেসরকারীকরণের বিপক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জারদারি বলেন, "এই দেশ জনগণের। জাতীয় সম্পদ কখনও বিক্রয় করা উচিত নয়।"
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট জারদারি শনিবার বিকেলে শেখ জায়েদ বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এরপর তিনি দক্ষিণ পাঞ্জাবের পিপিপি নেতা মাখদুম আহমেদ মাহমুদের নিজ এলাকা জামালদিনওয়ালিতে পৌঁছান। সেখানে তিনি আরও দুই দিন অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) কো-চেয়ারম্যান এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বলেছেন, দল ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সংগ্রাম করা এবং প্রয়োজনে কারাবরণ করা একজন নেতার মূল দায়িত্ব। কারাবাস কোনো ভীতির বিষয় নয়, বরং এটি ইবাদতের স্থান।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রহিম ইয়ার খান থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে জামালদিনওয়ালিতে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রদত্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খানের নাম সরাসরি উচ্চারণ না করেই জারদারি বলেন, মাত্র ১৮ মাস কারাবন্দি থাকার পরই কেউ কেউ জেলের পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ শুরু করেছেন।
কারাবন্দি ইমরান খানের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রেসিডেন্ট জারদারি বলেন, "কখনও তারা বলেন চোখে ব্যথা হচ্ছে, আবার কখনও অভিযোগ করেন সেখানে দুধ পাওয়া যাচ্ছে না। যারা এ ধরনের তুচ্ছ অভিযোগ করেন, তাদের ত্যাগের মানসিকতা ও সাহস—কোনোটিই নেই।"
নিজের অভিজ্ঞতার উল্লেখ করে জারদারি বলেন, "আমি নিজে ১৪ বছর কারাভোগ করেছি, অনেক কষ্ট সহ্য করেছি, কিন্তু কখনও সাহস হারাইনি। কারাগার হলো ইবাদতের জায়গা, আর যারা সেখানে ইবাদত করেন, তাদের দোয়া কবুল হয়।"
রাজনৈতিক কর্মীদের গ্রেফতারের ভয় না পাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তান পুনর্গঠন ও উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত তিনি পিছপা হবেন না। তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেন যে, আগামীতে পিপিপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হবে এবং বিলাওয়াল ভুট্টোকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করবে।
দেশের সম্পদ বেসরকারীকরণের বিপক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জারদারি বলেন, "এই দেশ জনগণের। জাতীয় সম্পদ কখনও বিক্রয় করা উচিত নয়।"
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট জারদারি শনিবার বিকেলে শেখ জায়েদ বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এরপর তিনি দক্ষিণ পাঞ্জাবের পিপিপি নেতা মাখদুম আহমেদ মাহমুদের নিজ এলাকা জামালদিনওয়ালিতে পৌঁছান। সেখানে তিনি আরও দুই দিন অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন