ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বয়কট ভুলে বিশ্বকাপে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বয়কট ভুলে বিশ্বকাপে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

তামিল টাইগারদের আত্মসমর্পণের পর শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে গত দেড় দশকে এতটা নিরাপত্তাবেষ্টনি আর দেখা যায়নি। টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার অতি আকর্ষণীয় ম্যাচটিকে ঘিরে যেন সীমান্ত সংঘাতের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে।

দুই বছর আগে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে দুই বৈরি প্রতিবেশী মুখোমুখি হলেও পাকিস্তানের ২২৮ রানের হার উত্তেজনার মশাল নিভিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তখন ওয়াঘা সীমান্তের দুই পাশে উত্তেজনা থাকলেও 'অপারেশন সিঁদুর' এবং 'অপারেশন বুনিয়ান আন মারসুস' ঘটেনি। রাজনীতি দিল্লি ও ইসলামাবাদের ক্ষমতার কেন্দ্র ছাপিয়ে ক্রিকেটে এতটা প্রভাব ফেলেনি যে খেলা শেষে দুই দলের ক্রিকেটাররা পরস্পরের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকার করবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই দলের সাবেক ক্রিকেটারদের এমন যুদ্ধংদেহী মনোভাবও দেখা যায়নি।

নামিবিয়াকে পরাজিত করে শুক্রবার মধ্যরাতে শ্রীলঙ্কায় পা রেখেছে ভারত। হাইব্রিড মডেল নামের এক অদ্ভুত ব্যবস্থায় বিশ্বকাপের প্রধান আয়োজককে খেলতে আসতে হয়েছে আরেক সহ-আয়োজক দেশে, কারণ ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের দেশে পা রাখে না। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় কেবলমাত্র আইসিসি এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) আয়োজিত ইভেন্টেই এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়া দেখা যায়, যে বিরলত্বের সুযোগে বিপণনকারীরা এই ম্যাচের বাণিজ্যিক মূল্য আকাশচুম্বী করে তুলেছেন।

অথচ গত ১০ বছরে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ১৭ বার মুখোমুখি হয়েছে এই দুই দল। বরং আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ যদি এই দুই দলকে সাদা পোশাকে মুখোমুখি করাতে পারে কিংবা ফাইনালে দুই দল মুখোমুখি হয়ে যায়, তাহলে সেটাই হবে ক্রিকেট জগতের কোহিনূর। কারণ ২০০৭ সালের বেঙ্গালুরু টেস্টের পর এই দুই দল কখনো পাঁচদিনের ক্রিকেটে মুখোমুখি হয়নি। ভাবা যায়, বিরাট কোহলি তার টেস্ট ক্যারিয়ারে পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো টেস্ট ম্যাচই খেলেননি!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশপ্রেমের জোয়ারে ক্রিকেটের শুদ্ধতা আজ হুমকির মুখে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এখন যেন প্রাচীন রোমের গ্ল্যাডিয়েটরের লড়াই। মাঠভর্তি দর্শক চোখের সামনে দেখতে চায় বিজয়ী প্রতিপক্ষকে কীভাবে ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে।

উপমহাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট সংস্কৃতিতেও আলাদা। নিজের দেশের খেলা ছাড়া অন্য দলের ম্যাচ নিয়ে তাদের তেমন আগ্রহ নেই। তার ওপর শ্রীলঙ্কা নিজেও বিশ্বকাপে খেলছে অন্য গ্রুপে। এই ম্যাচ নিয়ে তাদের খুব একটা উৎসাহ নেই। তবে দলে দলে মানুষ এসেছে মধ্যপ্রাচ্য, ভারত এবং পাকিস্তান থেকে। ফেব্রুয়ারির প্রথম ১০ দিনে শ্রীলঙ্কায় সাধারণ সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি পর্যটক এসেছে এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে। ফ্লাইট, টিকিট এবং পাঁচতারকা হোটেলে আবাসন মিলিয়ে প্রতিটি পর্যটক ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার খরচ করছেন।

৩৫ হাজার ধারণক্ষমতার প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে, দাম উঠেছে স্থানীয় মুদ্রায় আড়াই লাখ রুপি পর্যন্ত। অনেক বিশেষজ্ঞ ধারণা করছেন, এই ম্যাচটি টেলিভিশনে সবচেয়ে বেশি দর্শক দেখা কোনো ক্রিকেট ম্যাচ হতে চলেছে। ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখেছিল ৫৮০ মিলিয়ন মানুষ, যখন হাতে হাতে স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেটের লাইভ স্ট্রিমিং প্রযুক্তি আসেনি। এবারে সংখ্যাটা ৬০০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই টেলিভিশন সম্প্রচারে প্রতিটি সেকেন্ড বিক্রি হচ্ছে হীরের দামে।

পাকিস্তান সরকার প্রথমে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে অস্বীকৃতি জানালেও আইসিসির তৎপরতা এবং অন্যান্য সদস্য দেশের ক্রিকেট বোর্ড প্রধানদের পিসিবি প্রধানকে অনুরোধের পর অবশেষে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে পাকিস্তান সরকার। তাই আশঙ্কা উড়িয়ে দুই দল মাঠে নামতে প্রস্তুত।

তবে বাধা হতে পারে প্রকৃতি। আবহাওয়া পূর্বাভাসের ওয়েবসাইট আকুওয়েদার জানাচ্ছে, আজ সন্ধ্যায় কলম্বোতে বিকেল ৫টা থেকে ৭টা পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেল ৫টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা ৪৫ শতাংশ, এরপর প্রতি ঘণ্টায় ৫ শতাংশ করে কমবে। তাই এত আয়োজন এবং প্রস্তুতির পর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েই যাচ্ছে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই ম্যাচে জয়-পরাজয়ে কারও কোনো পার্থক্যই পড়বে না। আইসিসি ইচ্ছে করেই এমন একটি গ্রুপে দুই দলকে রেখেছে এবং দুটি করে ম্যাচ সম্পন্ন হওয়ার পর পয়েন্ট টেবিলের বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী সুপার ৮ পর্বে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দলই উত্তীর্ণ হবে। টুর্নামেন্টের নির্ধারিত সিডিং পদ্ধতি অনুসারে ভারত পরবর্তী পর্বে উঠলে এ-ওয়ান এবং পাকিস্তান হবে এ-টু। তাই জয়-পরাজয়ে টুর্নামেন্টে টিকে থাকা বা না থাকা, কঠিন প্রতিপক্ষকে এড়ানো বা সহজ গ্রুপ পাওয়ার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। তবুও এই ম্যাচকে ঘিরে এত উত্তেজনা, এত আবেগের প্রবাহ যে ম্যাচের ফলাফলের চেয়ে সবার দৃষ্টি খেলা শেষে খেলোয়াড়দের হাত মেলানোর দিকে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বয়কট ভুলে বিশ্বকাপে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

তামিল টাইগারদের আত্মসমর্পণের পর শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে গত দেড় দশকে এতটা নিরাপত্তাবেষ্টনি আর দেখা যায়নি। টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার অতি আকর্ষণীয় ম্যাচটিকে ঘিরে যেন সীমান্ত সংঘাতের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে।

দুই বছর আগে এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে দুই বৈরি প্রতিবেশী মুখোমুখি হলেও পাকিস্তানের ২২৮ রানের হার উত্তেজনার মশাল নিভিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তখন ওয়াঘা সীমান্তের দুই পাশে উত্তেজনা থাকলেও 'অপারেশন সিঁদুর' এবং 'অপারেশন বুনিয়ান আন মারসুস' ঘটেনি। রাজনীতি দিল্লি ও ইসলামাবাদের ক্ষমতার কেন্দ্র ছাপিয়ে ক্রিকেটে এতটা প্রভাব ফেলেনি যে খেলা শেষে দুই দলের ক্রিকেটাররা পরস্পরের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকার করবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই দলের সাবেক ক্রিকেটারদের এমন যুদ্ধংদেহী মনোভাবও দেখা যায়নি।

নামিবিয়াকে পরাজিত করে শুক্রবার মধ্যরাতে শ্রীলঙ্কায় পা রেখেছে ভারত। হাইব্রিড মডেল নামের এক অদ্ভুত ব্যবস্থায় বিশ্বকাপের প্রধান আয়োজককে খেলতে আসতে হয়েছে আরেক সহ-আয়োজক দেশে, কারণ ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের দেশে পা রাখে না। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না হওয়ায় কেবলমাত্র আইসিসি এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) আয়োজিত ইভেন্টেই এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়া দেখা যায়, যে বিরলত্বের সুযোগে বিপণনকারীরা এই ম্যাচের বাণিজ্যিক মূল্য আকাশচুম্বী করে তুলেছেন।

অথচ গত ১০ বছরে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ১৭ বার মুখোমুখি হয়েছে এই দুই দল। বরং আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ যদি এই দুই দলকে সাদা পোশাকে মুখোমুখি করাতে পারে কিংবা ফাইনালে দুই দল মুখোমুখি হয়ে যায়, তাহলে সেটাই হবে ক্রিকেট জগতের কোহিনূর। কারণ ২০০৭ সালের বেঙ্গালুরু টেস্টের পর এই দুই দল কখনো পাঁচদিনের ক্রিকেটে মুখোমুখি হয়নি। ভাবা যায়, বিরাট কোহলি তার টেস্ট ক্যারিয়ারে পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো টেস্ট ম্যাচই খেলেননি!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশপ্রেমের জোয়ারে ক্রিকেটের শুদ্ধতা আজ হুমকির মুখে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এখন যেন প্রাচীন রোমের গ্ল্যাডিয়েটরের লড়াই। মাঠভর্তি দর্শক চোখের সামনে দেখতে চায় বিজয়ী প্রতিপক্ষকে কীভাবে ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে।

উপমহাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট সংস্কৃতিতেও আলাদা। নিজের দেশের খেলা ছাড়া অন্য দলের ম্যাচ নিয়ে তাদের তেমন আগ্রহ নেই। তার ওপর শ্রীলঙ্কা নিজেও বিশ্বকাপে খেলছে অন্য গ্রুপে। এই ম্যাচ নিয়ে তাদের খুব একটা উৎসাহ নেই। তবে দলে দলে মানুষ এসেছে মধ্যপ্রাচ্য, ভারত এবং পাকিস্তান থেকে। ফেব্রুয়ারির প্রথম ১০ দিনে শ্রীলঙ্কায় সাধারণ সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি পর্যটক এসেছে এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে। ফ্লাইট, টিকিট এবং পাঁচতারকা হোটেলে আবাসন মিলিয়ে প্রতিটি পর্যটক ১৫০০ থেকে ২০০০ ডলার খরচ করছেন।

৩৫ হাজার ধারণক্ষমতার প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে, দাম উঠেছে স্থানীয় মুদ্রায় আড়াই লাখ রুপি পর্যন্ত। অনেক বিশেষজ্ঞ ধারণা করছেন, এই ম্যাচটি টেলিভিশনে সবচেয়ে বেশি দর্শক দেখা কোনো ক্রিকেট ম্যাচ হতে চলেছে। ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখেছিল ৫৮০ মিলিয়ন মানুষ, যখন হাতে হাতে স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেটের লাইভ স্ট্রিমিং প্রযুক্তি আসেনি। এবারে সংখ্যাটা ৬০০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই টেলিভিশন সম্প্রচারে প্রতিটি সেকেন্ড বিক্রি হচ্ছে হীরের দামে।

পাকিস্তান সরকার প্রথমে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে অস্বীকৃতি জানালেও আইসিসির তৎপরতা এবং অন্যান্য সদস্য দেশের ক্রিকেট বোর্ড প্রধানদের পিসিবি প্রধানকে অনুরোধের পর অবশেষে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে পাকিস্তান সরকার। তাই আশঙ্কা উড়িয়ে দুই দল মাঠে নামতে প্রস্তুত।

তবে বাধা হতে পারে প্রকৃতি। আবহাওয়া পূর্বাভাসের ওয়েবসাইট আকুওয়েদার জানাচ্ছে, আজ সন্ধ্যায় কলম্বোতে বিকেল ৫টা থেকে ৭টা পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেল ৫টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা ৪৫ শতাংশ, এরপর প্রতি ঘণ্টায় ৫ শতাংশ করে কমবে। তাই এত আয়োজন এবং প্রস্তুতির পর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েই যাচ্ছে।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই ম্যাচে জয়-পরাজয়ে কারও কোনো পার্থক্যই পড়বে না। আইসিসি ইচ্ছে করেই এমন একটি গ্রুপে দুই দলকে রেখেছে এবং দুটি করে ম্যাচ সম্পন্ন হওয়ার পর পয়েন্ট টেবিলের বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী সুপার ৮ পর্বে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দলই উত্তীর্ণ হবে। টুর্নামেন্টের নির্ধারিত সিডিং পদ্ধতি অনুসারে ভারত পরবর্তী পর্বে উঠলে এ-ওয়ান এবং পাকিস্তান হবে এ-টু। তাই জয়-পরাজয়ে টুর্নামেন্টে টিকে থাকা বা না থাকা, কঠিন প্রতিপক্ষকে এড়ানো বা সহজ গ্রুপ পাওয়ার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। তবুও এই ম্যাচকে ঘিরে এত উত্তেজনা, এত আবেগের প্রবাহ যে ম্যাচের ফলাফলের চেয়ে সবার দৃষ্টি খেলা শেষে খেলোয়াড়দের হাত মেলানোর দিকে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ