সিরীয় শরণার্থীদের স্বদেশে টেকসই প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে চায় আহমদ শার'আর নেতৃত্বাধীন সিরিয়া সরকার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জার্মানির মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের ফাঁকে এক বৈঠকে এ কথা জানান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আস'আদ শাইবানী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাইবানী বলেন, "সিরীয়দের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অবশ্যই টেকসই হতে হবে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার মানে শুধুমাত্র দরজা খুলে দেওয়া নয়, বরং এটি পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার সমাপ্তি বোঝায় না।"
তিনি আরও জানান, সিরিয়ায় এখনও অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতদের জন্য শিবির রয়েছে। বিপুল সংখ্যক সিরীয় শরণার্থী এখনও দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং অনেক শহর ও গ্রাম এখনও ধ্বংসস্তূপের মতো পড়ে রয়েছে।
জাতিসংঘের তথ্য উদ্ধৃত করে শাইবানী জানান, বাশার আল আসাদ সরকারের পতনের পর থেকে প্রায় ১২ লাখ সিরীয় দেশে ফিরেছেন। তবে দামেস্ক সরকারের হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যা আরও বেশি।
সিরীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "সরকার হিসেবে আমরা কোনো বিশৃঙ্খল বা আবেগপ্রসূত প্রত্যাবর্তন চাই না। একই সঙ্গে আমরা কাউকে এটাও বলতে পারি না যে, 'এখন ফিরে এসো না'। প্রতিটি সিরীয় নাগরিকের যেকোনো সময় স্বদেশে ফেরার অধিকার রয়েছে। তবে আমরা চাই এই প্রত্যাবর্তন হোক টেকসই এবং দেশের জন্য কল্যাণকর। যাতে করে প্রত্যাবর্তনকারীরা সিরিয়া পুনর্গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন।"
শাইবানী উল্লেখ করেন, তার সরকার সিরিয়াকে পুনরায় বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তিনি জানান, সিরিয়া বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আগ্রহী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিরীয় শরণার্থীদের স্বদেশে টেকসই প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে চায় আহমদ শার'আর নেতৃত্বাধীন সিরিয়া সরকার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) জার্মানির মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের ফাঁকে এক বৈঠকে এ কথা জানান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আস'আদ শাইবানী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাইবানী বলেন, "সিরীয়দের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অবশ্যই টেকসই হতে হবে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার মানে শুধুমাত্র দরজা খুলে দেওয়া নয়, বরং এটি পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার সমাপ্তি বোঝায় না।"
তিনি আরও জানান, সিরিয়ায় এখনও অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতদের জন্য শিবির রয়েছে। বিপুল সংখ্যক সিরীয় শরণার্থী এখনও দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং অনেক শহর ও গ্রাম এখনও ধ্বংসস্তূপের মতো পড়ে রয়েছে।
জাতিসংঘের তথ্য উদ্ধৃত করে শাইবানী জানান, বাশার আল আসাদ সরকারের পতনের পর থেকে প্রায় ১২ লাখ সিরীয় দেশে ফিরেছেন। তবে দামেস্ক সরকারের হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যা আরও বেশি।
সিরীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "সরকার হিসেবে আমরা কোনো বিশৃঙ্খল বা আবেগপ্রসূত প্রত্যাবর্তন চাই না। একই সঙ্গে আমরা কাউকে এটাও বলতে পারি না যে, 'এখন ফিরে এসো না'। প্রতিটি সিরীয় নাগরিকের যেকোনো সময় স্বদেশে ফেরার অধিকার রয়েছে। তবে আমরা চাই এই প্রত্যাবর্তন হোক টেকসই এবং দেশের জন্য কল্যাণকর। যাতে করে প্রত্যাবর্তনকারীরা সিরিয়া পুনর্গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন।"
শাইবানী উল্লেখ করেন, তার সরকার সিরিয়াকে পুনরায় বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তিনি জানান, সিরিয়া বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আগ্রহী।

আপনার মতামত লিখুন