ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) — বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শপথ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক কূটনৈতিক তৎপরতা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এতে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হলেও উপস্থিতি অনিশ্চিত বলে জানা গেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার গভীর রাতে ঢাকা থেকে মোদির কাছে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছেছে। তবে একই দিন মুম্বাইয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক থাকায় মোদির ঢাকায় যাওয়া কঠিন হবে। সূত্রের মতে, মোদির অনুপস্থিতিতেও ভারতের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা, যেমন উপ-রাষ্ট্রপতি বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন।
বাংলাদেশ সরকার সার্কভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো ছাড়াও চীন, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব ও তুরস্কের মতো বন্ধুসুলভ দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদেরও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ দেবে। বিষয়টি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক বিবেচনা করে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
শপথ অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান বলেছেন, তার সরকারের পররাষ্ট্রনীতি হবে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ সুরক্ষাকে কেন্দ্র করে; এটি কোনও নির্দিষ্ট দেশভিত্তিক হবে না। উল্লেখযোগ্য, গত শুক্রবার তারেক রহমানের সঙ্গে মোদির প্রথম ফোনালাপে দুই নেতা দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্য নিয়ে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
৩৫ বছরের ব্যবধানে প্রথমবার বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হচ্ছেন ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান। শপথ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক নেতৃত্বের অংশগ্রহণকে ঘিরে এখন থেকেই বিশেষ নজর রাখছে কূটনৈতিক মহল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) — বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শপথ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক কূটনৈতিক তৎপরতা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এতে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হলেও উপস্থিতি অনিশ্চিত বলে জানা গেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার গভীর রাতে ঢাকা থেকে মোদির কাছে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছেছে। তবে একই দিন মুম্বাইয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক থাকায় মোদির ঢাকায় যাওয়া কঠিন হবে। সূত্রের মতে, মোদির অনুপস্থিতিতেও ভারতের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা, যেমন উপ-রাষ্ট্রপতি বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন।
বাংলাদেশ সরকার সার্কভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো ছাড়াও চীন, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব ও তুরস্কের মতো বন্ধুসুলভ দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদেরও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ দেবে। বিষয়টি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক বিবেচনা করে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
শপথ অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান বলেছেন, তার সরকারের পররাষ্ট্রনীতি হবে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ সুরক্ষাকে কেন্দ্র করে; এটি কোনও নির্দিষ্ট দেশভিত্তিক হবে না। উল্লেখযোগ্য, গত শুক্রবার তারেক রহমানের সঙ্গে মোদির প্রথম ফোনালাপে দুই নেতা দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্য নিয়ে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
৩৫ বছরের ব্যবধানে প্রথমবার বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হচ্ছেন ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান। শপথ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক নেতৃত্বের অংশগ্রহণকে ঘিরে এখন থেকেই বিশেষ নজর রাখছে কূটনৈতিক মহল।

আপনার মতামত লিখুন