ইসলামাবাদ, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) — পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়া মেডিকেল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদিয়ালা কারাগারে বন্দি থাকা ইমরান খান তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তির ৮৫ শতাংশ হারিয়ে ফেলেছেন এবং বর্তমানে মাত্র ১৫ শতাংশ দৃষ্টি রয়েছে। এই গুরুতর অবস্থার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান সরকার অবশেষে তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পাক সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে জানা যায়, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতের দিকে সরকার এ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে। একই সঙ্গে হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে ইমরানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। পাকিস্তানের সংসদবিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিশ্চিত করেছেন, ইমরান খানকে তার সন্তানদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে এবং স্বাস্থ্যগত কারণে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হবে। এছাড়া একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ডও গঠন করা হবে।
এর আগে ইমরান খানের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে তেহরিক-ই-ইনসাফের সদস্যরা পাকিস্তান পার্লামেন্টের বাইরে অবস্থান নেন। পাশাপাশি বিরোধী দলীয় নেতা আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস ও মাহমুদ খান এবং পিটিআই চেয়ারম্যান গোহার আলী খান জুমার নামাজের পর অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীও কে-পি হাউজে আন্দোলন অব্যাহত রাখেন।
ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। রাজনৈতিক নেতারা এবং সমর্থকরা সরকারের প্রতি চাপ প্রয়োগ করছেন যেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রুত সরবরাহ করা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসলামাবাদ, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) — পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়া মেডিকেল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদিয়ালা কারাগারে বন্দি থাকা ইমরান খান তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তির ৮৫ শতাংশ হারিয়ে ফেলেছেন এবং বর্তমানে মাত্র ১৫ শতাংশ দৃষ্টি রয়েছে। এই গুরুতর অবস্থার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান সরকার অবশেষে তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পাক সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে জানা যায়, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতের দিকে সরকার এ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে। একই সঙ্গে হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে ইমরানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। পাকিস্তানের সংসদবিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিশ্চিত করেছেন, ইমরান খানকে তার সন্তানদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে এবং স্বাস্থ্যগত কারণে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হবে। এছাড়া একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ডও গঠন করা হবে।
এর আগে ইমরান খানের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে তেহরিক-ই-ইনসাফের সদস্যরা পাকিস্তান পার্লামেন্টের বাইরে অবস্থান নেন। পাশাপাশি বিরোধী দলীয় নেতা আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস ও মাহমুদ খান এবং পিটিআই চেয়ারম্যান গোহার আলী খান জুমার নামাজের পর অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীও কে-পি হাউজে আন্দোলন অব্যাহত রাখেন।
ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। রাজনৈতিক নেতারা এবং সমর্থকরা সরকারের প্রতি চাপ প্রয়োগ করছেন যেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রুত সরবরাহ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন