ইসলামাবাদ, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) — পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর খবরে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার পর সরকার বিশেষায়িত চিকিৎসার আশ্বাস দিলেও বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা ও বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানান, শীর্ষস্থানীয় চক্ষু বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে ইমরান খানের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। তবে তিনি কোন হাসপাতালে বা কখন এই চিকিৎসা শুরু হবে—সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। একই সঙ্গে এ বিষয়ে বিভ্রান্তি বা গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের এই আশ্বাসে সন্তুষ্ট নয় ইমরান খানের পরিবার। তার বোন আলিমা খান অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসা বিষয়ে পরিবারের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি এবং সরকার একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তিনি জানান, ভবিষ্যতে কোনো চিকিৎসা প্রক্রিয়া বা অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্য এবং ইমরান খানের ব্যক্তিগত চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য গোপন করে বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এর আগে ইমরান খানের আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টকে জানান, আদিয়ালা কারাগারে বন্দি অবস্থায় তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রায় ৮৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি মাত্র ১৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি নিয়ে চলছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে আদালত বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ড গঠন এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে তার দুই ছেলের সঙ্গে কথা বলার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।
ইমরান খানের শারীরিক অবস্থার খবরে পাকিস্তানের ক্রিকেট অঙ্গনেও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সাবেক ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস, শহীদ আফ্রিদি ও শোয়েব আখতারসহ অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছেন। শোয়েব আখতার এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, ইমরান খানের দৃষ্টিশক্তি হারানোর খবর তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।
সার্বিকভাবে ইমরান খানের চোখের চিকিৎসা নিয়ে সরকার ও পরিবারের মধ্যে মতানৈক্য ও তথ্যের অস্পষ্টতা বিরাজ করছে, যা পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসলামাবাদ, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) — পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর খবরে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার পর সরকার বিশেষায়িত চিকিৎসার আশ্বাস দিলেও বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা ও বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানান, শীর্ষস্থানীয় চক্ষু বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে ইমরান খানের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। তবে তিনি কোন হাসপাতালে বা কখন এই চিকিৎসা শুরু হবে—সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। একই সঙ্গে এ বিষয়ে বিভ্রান্তি বা গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের এই আশ্বাসে সন্তুষ্ট নয় ইমরান খানের পরিবার। তার বোন আলিমা খান অভিযোগ করে বলেন, চিকিৎসা বিষয়ে পরিবারের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি এবং সরকার একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তিনি জানান, ভবিষ্যতে কোনো চিকিৎসা প্রক্রিয়া বা অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্য এবং ইমরান খানের ব্যক্তিগত চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য গোপন করে বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এর আগে ইমরান খানের আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টকে জানান, আদিয়ালা কারাগারে বন্দি অবস্থায় তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রায় ৮৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি মাত্র ১৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি নিয়ে চলছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে আদালত বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ড গঠন এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে তার দুই ছেলের সঙ্গে কথা বলার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।
ইমরান খানের শারীরিক অবস্থার খবরে পাকিস্তানের ক্রিকেট অঙ্গনেও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সাবেক ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস, শহীদ আফ্রিদি ও শোয়েব আখতারসহ অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছেন। শোয়েব আখতার এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, ইমরান খানের দৃষ্টিশক্তি হারানোর খবর তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।
সার্বিকভাবে ইমরান খানের চোখের চিকিৎসা নিয়ে সরকার ও পরিবারের মধ্যে মতানৈক্য ও তথ্যের অস্পষ্টতা বিরাজ করছে, যা পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন