অ্যাডিলেড, শনিবার — অস্ট্রেলিয়া সরকার তাদের নৌবাহিনী শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে করা ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই লক্ষ্যে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে একটি অত্যাধুনিক জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্র স্থাপনে প্রাথমিকভাবে ৩.৯ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই অর্থকে প্রকল্পের ‘ডাউন পেমেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী কয়েক দশকে এই সাবমেরিন নির্মাণ কর্মসূচির মোট ব্যয় প্রায় ৩০ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া তাদের সাবমেরিন বহরকে আধুনিক ও পারমাণবিক সক্ষমতায় উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে।
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পারমাণবিক সাবমেরিন অস্ট্রেলিয়ায় মোতায়েন করা হবে। পরে ২০৩০ সালের দিকে অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কয়েকটি ভার্জিনিয়া-শ্রেণীর পারমাণবিক সাবমেরিন সরাসরি ক্রয় করবে। দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার কোম্পানি—বে সিস্টেমস এবং এএসসি—যৌথভাবে সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির সাবমেরিন নির্মাণ করবে।
এই উদ্যোগকে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের মতে, নতুন সাবমেরিন বহর দেশটির সমুদ্রসীমায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বহুগুণে বাড়াবে। একই সঙ্গে এই বৃহৎ শিপইয়ার্ড প্রকল্পের ফলে আগামী কয়েক দশকে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
পেন্টাগনের এক পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া দ্রুতগতিতে পারমাণবিক সাবমেরিন সক্ষমতা অর্জনের পথে এগোচ্ছে, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অ্যাডিলেড, শনিবার — অস্ট্রেলিয়া সরকার তাদের নৌবাহিনী শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে করা ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই লক্ষ্যে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে একটি অত্যাধুনিক জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্র স্থাপনে প্রাথমিকভাবে ৩.৯ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই অর্থকে প্রকল্পের ‘ডাউন পেমেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী কয়েক দশকে এই সাবমেরিন নির্মাণ কর্মসূচির মোট ব্যয় প্রায় ৩০ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া তাদের সাবমেরিন বহরকে আধুনিক ও পারমাণবিক সক্ষমতায় উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে।
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পারমাণবিক সাবমেরিন অস্ট্রেলিয়ায় মোতায়েন করা হবে। পরে ২০৩০ সালের দিকে অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কয়েকটি ভার্জিনিয়া-শ্রেণীর পারমাণবিক সাবমেরিন সরাসরি ক্রয় করবে। দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার কোম্পানি—বে সিস্টেমস এবং এএসসি—যৌথভাবে সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির সাবমেরিন নির্মাণ করবে।
এই উদ্যোগকে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের মতে, নতুন সাবমেরিন বহর দেশটির সমুদ্রসীমায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বহুগুণে বাড়াবে। একই সঙ্গে এই বৃহৎ শিপইয়ার্ড প্রকল্পের ফলে আগামী কয়েক দশকে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
পেন্টাগনের এক পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া দ্রুতগতিতে পারমাণবিক সাবমেরিন সক্ষমতা অর্জনের পথে এগোচ্ছে, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন