ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আবদুল হান্নান মাসউদ।
নির্বাচনের হলফনামা ও বেসরকারি ফলাফলের তথ্য থেকে জানা গেছে তিনি ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তার বর্তমান বয়স ২৬ বছর ১ মাস। এনসিপি-র শাপলা কলি প্রতীকে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে তিনি আগামী সংসদে সবচেয়ে তরুণ এমপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
অপরদিকে সবচেয়ে বেশি বয়সী জয়ী এমপি হিসেবে দেখা গেছে বিএনপি নেতা মুশফিকুর রহমান-কে। নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী তাঁর জন্ম ১৯৪০ সালের ৮ জানুয়ারি, এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তাঁর বয়স ছিল প্রায় ৮৫ বছর ১১ মাস।
তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার পেয়েছেন ৯১ হাজার ৭৯৬ ভোট।
মুশফিকুর রহমান দীর্ঘ সময় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকেন; সাবেক সচিব হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০০১ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
পরবর্তীতে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রার্থীও ছিলেন। অন্যরকমভাবে তরুণ ও প্রবীণ দুই নেতৃত্বের সমন্বয় আগামী সংসদে নতুন রাজনৈতিক চিত্র উপস্থাপন করবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আবদুল হান্নান মাসউদ।
নির্বাচনের হলফনামা ও বেসরকারি ফলাফলের তথ্য থেকে জানা গেছে তিনি ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছেন এবং তার বর্তমান বয়স ২৬ বছর ১ মাস। এনসিপি-র শাপলা কলি প্রতীকে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে তিনি আগামী সংসদে সবচেয়ে তরুণ এমপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
অপরদিকে সবচেয়ে বেশি বয়সী জয়ী এমপি হিসেবে দেখা গেছে বিএনপি নেতা মুশফিকুর রহমান-কে। নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী তাঁর জন্ম ১৯৪০ সালের ৮ জানুয়ারি, এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তাঁর বয়স ছিল প্রায় ৮৫ বছর ১১ মাস।
তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার পেয়েছেন ৯১ হাজার ৭৯৬ ভোট।
মুশফিকুর রহমান দীর্ঘ সময় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকেন; সাবেক সচিব হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০০১ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
পরবর্তীতে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রার্থীও ছিলেন। অন্যরকমভাবে তরুণ ও প্রবীণ দুই নেতৃত্বের সমন্বয় আগামী সংসদে নতুন রাজনৈতিক চিত্র উপস্থাপন করবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন