বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সালাহউদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন।
তিনি জানান, ভারত সরকারের সঙ্গে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং এই প্রক্রিয়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনানুগভাবে সম্পন্ন করা হবে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে বিচারের মুখোমুখি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি দাবি করেন, সারা বিশ্ব একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ছিল এবং বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহণ প্রায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভোটাররা শুধু ভোটাধিকার প্রয়োগ করেননি, ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে গণতন্ত্র রক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন।
নতুন সংসদ প্রসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্বাধীনতার পর এই সংসদই সবচেয়ে বেশি আইন প্রণয়নকারী এবং জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলক হবে। তিনি জানান, নতুন সরকারের তিনটি প্রধান অগ্রাধিকার হবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন এবং দুর্নীতি নির্মূল।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপির বিজয় প্রত্যাশিত ছিল এবং তারেক রহমানকে ঘিরে মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। তার মতে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে শক্তিশালী গণতন্ত্রের ভিত্তি রচিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “জুলাই সনদ” রাজনৈতিক সমঝোতার প্রতীক এবং এটি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা অনুযায়ী মেধানির্ভর ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা জানান, গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সালাহউদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন।
তিনি জানান, ভারত সরকারের সঙ্গে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং এই প্রক্রিয়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনানুগভাবে সম্পন্ন করা হবে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে বিচারের মুখোমুখি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি দাবি করেন, সারা বিশ্ব একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ছিল এবং বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহণ প্রায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভোটাররা শুধু ভোটাধিকার প্রয়োগ করেননি, ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে গণতন্ত্র রক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন।
নতুন সংসদ প্রসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্বাধীনতার পর এই সংসদই সবচেয়ে বেশি আইন প্রণয়নকারী এবং জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলক হবে। তিনি জানান, নতুন সরকারের তিনটি প্রধান অগ্রাধিকার হবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন এবং দুর্নীতি নির্মূল।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপির বিজয় প্রত্যাশিত ছিল এবং তারেক রহমানকে ঘিরে মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। তার মতে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে শক্তিশালী গণতন্ত্রের ভিত্তি রচিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “জুলাই সনদ” রাজনৈতিক সমঝোতার প্রতীক এবং এটি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা অনুযায়ী মেধানির্ভর ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা জানান, গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন