যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সম্পর্কে গভীর ফাটল তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ। গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন উদ্বোধন করে তিনি বলেন, আইনভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা আর টিকে নেই। বৃহৎ শক্তির রাজনীতির এই যুগে ইউরোপের স্বাধীনতা আর সুরক্ষিত ও সুনিশ্চিত নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ত্যাগ স্বীকারের আহ্বান
তাই ইউরোপীয়দের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান জার্মান চ্যান্সেলর। এই বছরের সম্মেলনে প্রায় ৫০ জন বিশ্বনেতা যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা এবং ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
ন্যাটো প্রতিশ্রুতি প্রশ্নবিদ্ধ
এমন এক সময় এই সম্মেলন হচ্ছে যখন ন্যাটো সামরিক জোটের প্রতি মার্কিন প্রতিশ্রুতি প্রশ্নের মুখে পড়েছে। গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিষয়ে ট্রাম্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে আস্থা ভঙ্গের কারণ হিসেবে দেখছেন অনেক ইউরোপীয় নেতা।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিমা ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা, সেইসাথে একটি সম্ভাব্য ইরান-মার্কিন পারমাণবিক চুক্তিও বার্ষিক সমাবেশের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে।
বিশ্বব্যবস্থার পরিবর্তন
মের্জ বলেন, "আমি আশঙ্কা করছি যে, বিশ্বব্যবস্থা আগের মতো আর বিদ্যমান নেই।"
তিনি আরও বলেন, "ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ফাটল ও গভীর বিভাজন তৈরি হয়েছে। মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক বছর আগে মিউনিখে খুব খোলামেলাভাবে এটি বলেছিলেন।"
জার্মান চ্যান্সেলরের এই বক্তব্য ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের গভীর সংকট এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী পশ্চিমা জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি ও পদক্ষেপ ইউরোপের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থে নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে, যা মিত্রদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সম্পর্কে গভীর ফাটল তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ। গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন উদ্বোধন করে তিনি বলেন, আইনভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা আর টিকে নেই। বৃহৎ শক্তির রাজনীতির এই যুগে ইউরোপের স্বাধীনতা আর সুরক্ষিত ও সুনিশ্চিত নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ত্যাগ স্বীকারের আহ্বান
তাই ইউরোপীয়দের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান জার্মান চ্যান্সেলর। এই বছরের সম্মেলনে প্রায় ৫০ জন বিশ্বনেতা যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা এবং ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
ন্যাটো প্রতিশ্রুতি প্রশ্নবিদ্ধ
এমন এক সময় এই সম্মেলন হচ্ছে যখন ন্যাটো সামরিক জোটের প্রতি মার্কিন প্রতিশ্রুতি প্রশ্নের মুখে পড়েছে। গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিষয়ে ট্রাম্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে আস্থা ভঙ্গের কারণ হিসেবে দেখছেন অনেক ইউরোপীয় নেতা।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিমা ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা, সেইসাথে একটি সম্ভাব্য ইরান-মার্কিন পারমাণবিক চুক্তিও বার্ষিক সমাবেশের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে।
বিশ্বব্যবস্থার পরিবর্তন
মের্জ বলেন, "আমি আশঙ্কা করছি যে, বিশ্বব্যবস্থা আগের মতো আর বিদ্যমান নেই।"
তিনি আরও বলেন, "ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ফাটল ও গভীর বিভাজন তৈরি হয়েছে। মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক বছর আগে মিউনিখে খুব খোলামেলাভাবে এটি বলেছিলেন।"
জার্মান চ্যান্সেলরের এই বক্তব্য ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্কের গভীর সংকট এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী পশ্চিমা জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি ও পদক্ষেপ ইউরোপের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থে নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে, যা মিত্রদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন