ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফলকে স্বীকৃতি দিয়ে নীতিবান ও শান্তিপূর্ণ বিরোধী দল হিসেবে কাজ করার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালীকরণের অঙ্গীকার
গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট থাকার কথাও জানান জামায়াত আমির।
"জাতীয় অগ্রগতিতে গঠনমূলক অবদান রাখার পাশাপাশি সরকারকে জবাবদিহি করার জন্য প্রস্তুত থাকব," বলেও ওই পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
সংসদে শক্তিশালী উপস্থিতি
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, ৭৭টি আসন নিয়ে, সংসদে উপস্থিতি প্রায় চারগুণ বাড়ানোর ফলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম শক্তিশালী বিরোধী দলে পরিণত হয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
এই প্রেক্ষাপটকে রাজনৈতিক ভাগ্য পরিবর্তন হিসেবেও উল্লেখ করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। "২০০৮ সালে, বিএনপি ৩০টি আসনে নেমে আসে এবং ২০২৬ সালে সরকার গঠনে ফিরে আসে, এই যাত্রায় ১৮ বছর লেগেছে," বলেন তিনি।
নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ
এর আগে কারচুপি করে প্রার্থী নির্বাচন করা, বিভিন্ন জায়গায় রেজাল্ট শিটের ওপর ঘষামাজা করা এমনকি কিছু কিছু আসনে দ্বৈত নীতি অবলম্বন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, "আজকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের কর্মী সমর্থক এজেন্ট ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে হামলা হচ্ছে, ব্যক্তির ওপর হামলা হচ্ছে, আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়িতে। এটা তো ফ্যাসিবাদী তৎপরতা।"
দায় গ্রহণের আহ্বান
"এর সম্পূর্ণ দায় তাদের নিতে হবে, যারা এ ধরনের অপকর্মে লিপ্ত হবেন। নির্বাচনে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েছেন, যেভাবেই পেয়ে থাকেন, এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট পর্যবেক্ষণ-আপত্তি আছে। দায় মূলত তাদেরকেই নিতে হবে," বলেন তিনি।
এই সময় তার সাথে ১১ দলীয় জোটের সঙ্গী দল এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকসহ বিভিন্ন নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াত আমিরের এই ঘোষণা নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে দলের আপত্তি রয়েছে, তবুও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদীয় পথে বিরোধিতা করার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক পরিপক্বতার পরিচয় দিচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফলকে স্বীকৃতি দিয়ে নীতিবান ও শান্তিপূর্ণ বিরোধী দল হিসেবে কাজ করার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালীকরণের অঙ্গীকার
গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট থাকার কথাও জানান জামায়াত আমির।
"জাতীয় অগ্রগতিতে গঠনমূলক অবদান রাখার পাশাপাশি সরকারকে জবাবদিহি করার জন্য প্রস্তুত থাকব," বলেও ওই পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
সংসদে শক্তিশালী উপস্থিতি
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, ৭৭টি আসন নিয়ে, সংসদে উপস্থিতি প্রায় চারগুণ বাড়ানোর ফলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম শক্তিশালী বিরোধী দলে পরিণত হয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
এই প্রেক্ষাপটকে রাজনৈতিক ভাগ্য পরিবর্তন হিসেবেও উল্লেখ করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। "২০০৮ সালে, বিএনপি ৩০টি আসনে নেমে আসে এবং ২০২৬ সালে সরকার গঠনে ফিরে আসে, এই যাত্রায় ১৮ বছর লেগেছে," বলেন তিনি।
নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ
এর আগে কারচুপি করে প্রার্থী নির্বাচন করা, বিভিন্ন জায়গায় রেজাল্ট শিটের ওপর ঘষামাজা করা এমনকি কিছু কিছু আসনে দ্বৈত নীতি অবলম্বন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, "আজকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের কর্মী সমর্থক এজেন্ট ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে হামলা হচ্ছে, ব্যক্তির ওপর হামলা হচ্ছে, আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়িতে। এটা তো ফ্যাসিবাদী তৎপরতা।"
দায় গ্রহণের আহ্বান
"এর সম্পূর্ণ দায় তাদের নিতে হবে, যারা এ ধরনের অপকর্মে লিপ্ত হবেন। নির্বাচনে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েছেন, যেভাবেই পেয়ে থাকেন, এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট পর্যবেক্ষণ-আপত্তি আছে। দায় মূলত তাদেরকেই নিতে হবে," বলেন তিনি।
এই সময় তার সাথে ১১ দলীয় জোটের সঙ্গী দল এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকসহ বিভিন্ন নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াত আমিরের এই ঘোষণা নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে দলের আপত্তি রয়েছে, তবুও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদীয় পথে বিরোধিতা করার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক পরিপক্বতার পরিচয় দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন