ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনই 'সবচেয়ে ভালো সমাধান' হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসে তিনি বলেন, "৪৭ বছর ধরে তারা শুধু কথাই বলে যাচ্ছে। এর মধ্যে আমরা অনেক প্রাণ হারিয়েছি।"
ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের পর নতুন করে কাকে ক্ষমতায় দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি ট্রাম্প। তিনি বলেন, "সেখানে এমন মানুষ আছেন যারা নেতৃত্ব নিতে পারেন।"
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাননি।
এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করার পরিকল্পনায় অনড় রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলা সত্ত্বেও গত বৃহস্পতিবার এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
বিশ্বের বৃহত্তম ও যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড খুব শিগগিরই ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে বলে জানান ট্রাম্প।
ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন, তবে সেখানে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল "মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি প্রস্তুত করছে পেন্টাগন।"
ট্রাম্পের এই মন্তব্য মার্কিন-ইরান সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনই 'সবচেয়ে ভালো সমাধান' হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসে তিনি বলেন, "৪৭ বছর ধরে তারা শুধু কথাই বলে যাচ্ছে। এর মধ্যে আমরা অনেক প্রাণ হারিয়েছি।"
ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের পর নতুন করে কাকে ক্ষমতায় দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি ট্রাম্প। তিনি বলেন, "সেখানে এমন মানুষ আছেন যারা নেতৃত্ব নিতে পারেন।"
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাননি।
এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করার পরিকল্পনায় অনড় রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলা সত্ত্বেও গত বৃহস্পতিবার এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
বিশ্বের বৃহত্তম ও যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড খুব শিগগিরই ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে বলে জানান ট্রাম্প।
ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন, তবে সেখানে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল "মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি প্রস্তুত করছে পেন্টাগন।"
ট্রাম্পের এই মন্তব্য মার্কিন-ইরান সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন