ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত নিজের জামানত রক্ষা করতে পারেননি নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। নির্বাচনে তিনি কেটলি প্রতীকে ভোট পেয়েছেন মাত্র তিন হাজার ৪২৬টি।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে দুই লাখ ৪৩ হাজার ৮০২টি। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর জামানত রক্ষার জন্য মোট বৈধ ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পাওয়া প্রয়োজন। সেই হিসাবে বগুড়া-২ আসনে জামানত টিকিয়ে রাখতে মান্নার প্রয়োজন ছিল ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট। কিন্তু তিনি পেয়েছেন মোট বৈধ ভোটের মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ।

নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বগুড়া-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মীর শাহে আলম এক লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট। এই দুই প্রার্থী ছাড়া নির্বাচনী মাঠে থাকা বাকি পাঁচজন প্রার্থীর সবাই জামানত হারিয়েছেন।

আসনটিতে মোট ভোটারের ৭২ দশমিক ৬৩ শতাংশ ভোট পড়েছে।

রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং সক্রিয় ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও মাহমুদুর রহমান মান্নার এই করুণ পরাজয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


জামানত হারালেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না

প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত নিজের জামানত রক্ষা করতে পারেননি নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। নির্বাচনে তিনি কেটলি প্রতীকে ভোট পেয়েছেন মাত্র তিন হাজার ৪২৬টি।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে দুই লাখ ৪৩ হাজার ৮০২টি। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর জামানত রক্ষার জন্য মোট বৈধ ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পাওয়া প্রয়োজন। সেই হিসাবে বগুড়া-২ আসনে জামানত টিকিয়ে রাখতে মান্নার প্রয়োজন ছিল ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট। কিন্তু তিনি পেয়েছেন মোট বৈধ ভোটের মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ।

নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বগুড়া-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মীর শাহে আলম এক লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট। এই দুই প্রার্থী ছাড়া নির্বাচনী মাঠে থাকা বাকি পাঁচজন প্রার্থীর সবাই জামানত হারিয়েছেন।

আসনটিতে মোট ভোটারের ৭২ দশমিক ৬৩ শতাংশ ভোট পড়েছে।

রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং সক্রিয় ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও মাহমুদুর রহমান মান্নার এই করুণ পরাজয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ