ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্যা এ ফলাফল ঘোষণা করেন। চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি এবং একটিতে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
ফরিদপুর-১ (মধুখালী–বোয়ালমারী–আলফাডাঙ্গা) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা ১,৫৪,১৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার নাসিরুল ইসলাম পান ১,২৬,৪৭৬ ভোট। ২৭,৬৬৯ ভোটের ব্যবধানে তিনি জয়লাভ করেন। এ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ফরিদপুর-২ (সালথা–নগরকান্দা) বিএনপি প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম ১,২১,৬৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের মাওলানা শাহ আকরাম আলী পান ৮৯,৩০৫ ভোট। ৩২,৩৮৯ ভোট বেশি পেয়ে তিনি বিজয়ী হন। এ আসনে ৬ জন প্রার্থী অংশ নেন।
ফরিদপুর-৩ (সদর) বিএনপির চৌধুরী নায়াব ইউসুফ ১,৪৮,৫৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াব পান ১,২৪,১১৫ ভোট। ২৪,৪৩০ ভোটের ব্যবধানে তিনি জয়লাভ করেন। এ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ফরিদপুর-৪ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল ১,২৭,৪৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা ছরোয়ার হুসাইন পান ৭৫,৮০৫ ভোট। ৫১,৬৩৮ ভোট বেশি পেয়ে তিনি নির্বাচিত হন। এ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার ৬৫৭টি ভোটকেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
ফরিদপুর জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৭ লাখ ৭১ হাজার ৯২৩ জন। চারটি আসনে মোট ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচনী নিরাপত্তায় ৭১৬ জন সেনা সদস্য, ১৩ প্লাটুন বিজিবি, ৩৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৪ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন ছিল।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সার্বিক তৎপরতায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।কোনো ধরণের সহিংসতা ছাড়াই শান্তিশৃঙ্খলভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় জেলা প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্যা এ ফলাফল ঘোষণা করেন। চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি এবং একটিতে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
ফরিদপুর-১ (মধুখালী–বোয়ালমারী–আলফাডাঙ্গা) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা ১,৫৪,১৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার নাসিরুল ইসলাম পান ১,২৬,৪৭৬ ভোট। ২৭,৬৬৯ ভোটের ব্যবধানে তিনি জয়লাভ করেন। এ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ফরিদপুর-২ (সালথা–নগরকান্দা) বিএনপি প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম ১,২১,৬৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের মাওলানা শাহ আকরাম আলী পান ৮৯,৩০৫ ভোট। ৩২,৩৮৯ ভোট বেশি পেয়ে তিনি বিজয়ী হন। এ আসনে ৬ জন প্রার্থী অংশ নেন।
ফরিদপুর-৩ (সদর) বিএনপির চৌধুরী নায়াব ইউসুফ ১,৪৮,৫৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াব পান ১,২৪,১১৫ ভোট। ২৪,৪৩০ ভোটের ব্যবধানে তিনি জয়লাভ করেন। এ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ফরিদপুর-৪ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল ১,২৭,৪৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা ছরোয়ার হুসাইন পান ৭৫,৮০৫ ভোট। ৫১,৬৩৮ ভোট বেশি পেয়ে তিনি নির্বাচিত হন। এ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার ৬৫৭টি ভোটকেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
ফরিদপুর জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৭ লাখ ৭১ হাজার ৯২৩ জন। চারটি আসনে মোট ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচনী নিরাপত্তায় ৭১৬ জন সেনা সদস্য, ১৩ প্লাটুন বিজিবি, ৩৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৪ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন ছিল।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সার্বিক তৎপরতায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।কোনো ধরণের সহিংসতা ছাড়াই শান্তিশৃঙ্খলভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় জেলা প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন