ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বেইজিংয়ের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝে জাপান চীনের মাছধরা নৌযান জব্দ করলো


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বেইজিংয়ের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝে জাপান চীনের মাছধরা নৌযান জব্দ করলো


জাপানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তারা চীনের একটি মাছধরা নৌযান জব্দ করেছে, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করতে পারে। নৌযানটি পরিদর্শনের জন্য থামতে নির্দেশ দেওয়া হলেও সেটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে জাপানি মৎস্য বিষয়ক সংস্থা নৌযানটি জব্দ করে।

ঘটনাস্থল ছিল জাপানের নাগাসাকি প্রশাসনিক অঞ্চলের কাছে, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জলসীমায়। জব্দকালে নৌযানে ক্যাপ্টেনসহ ১১ জন আরোহী ছিলেন। ক্যাপ্টেন ৪৭ বছর বয়সী চীনা নাগরিক। নৌযান থেকে মাছ ধরায় ব্যবহৃত ‘টাইগার নেট’ও পাওয়া গেছে, যা বেশিরভাগ দেশে ব্যবহারে বিধিনিষেধ রয়েছে।

এটি ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো চীনের মাছধরা নৌযান জব্দ করার ঘটনা। যদিও জাপানের পদক্ষেপের পর চীন এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাপান-চীনের উত্তেজনা প্রেক্ষাপটে নৌযান জব্দের ঘটনা ঘটেছে, যখন তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে বেইজিংয়ের সঙ্গে টোকিওর সম্পর্ক কড়া। নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি প্রকাশ্যে বলেছিলেন, যদি চীন বলপ্রয়োগ করে তাইওয়ান দখল করে, জাপান সামরিক পদক্ষেপ নেবে। এই মন্তব্যকে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘চরম আপত্তিকর’ হিসেবে দেখেছে এবং টোকিওর কাছে প্রভাব বিস্তার চেষ্টার পাশাপাশি বেইজিংয়ে নাগরিক ও পর্যটক বিষয়ক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

উল্লেখযোগ্য যে, জাপানে চীনা পর্যটকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় পর্যটন খাতসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ক্ষেত্র প্রভাবিত হয়েছে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি, চীনে জাপানি শিল্পীদের শো বাতিল, চলচ্চিত্র মুক্তি স্থগিত এবং শেষ দুটি পান্ডা ফেরত পাঠানোর মতো ঘটনা সবই টানাপড়েনের প্রমাণ।

ঘটনার সঙ্গে তাইওয়ান ইস্যু জড়িয়ে থাকা এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বেইজিংয়ের সঙ্গে উত্তেজনার মাঝে জাপান চীনের মাছধরা নৌযান জব্দ করলো

প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


জাপানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তারা চীনের একটি মাছধরা নৌযান জব্দ করেছে, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করতে পারে। নৌযানটি পরিদর্শনের জন্য থামতে নির্দেশ দেওয়া হলেও সেটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে জাপানি মৎস্য বিষয়ক সংস্থা নৌযানটি জব্দ করে।

ঘটনাস্থল ছিল জাপানের নাগাসাকি প্রশাসনিক অঞ্চলের কাছে, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জলসীমায়। জব্দকালে নৌযানে ক্যাপ্টেনসহ ১১ জন আরোহী ছিলেন। ক্যাপ্টেন ৪৭ বছর বয়সী চীনা নাগরিক। নৌযান থেকে মাছ ধরায় ব্যবহৃত ‘টাইগার নেট’ও পাওয়া গেছে, যা বেশিরভাগ দেশে ব্যবহারে বিধিনিষেধ রয়েছে।

এটি ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো চীনের মাছধরা নৌযান জব্দ করার ঘটনা। যদিও জাপানের পদক্ষেপের পর চীন এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাপান-চীনের উত্তেজনা প্রেক্ষাপটে নৌযান জব্দের ঘটনা ঘটেছে, যখন তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে বেইজিংয়ের সঙ্গে টোকিওর সম্পর্ক কড়া। নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি প্রকাশ্যে বলেছিলেন, যদি চীন বলপ্রয়োগ করে তাইওয়ান দখল করে, জাপান সামরিক পদক্ষেপ নেবে। এই মন্তব্যকে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘চরম আপত্তিকর’ হিসেবে দেখেছে এবং টোকিওর কাছে প্রভাব বিস্তার চেষ্টার পাশাপাশি বেইজিংয়ে নাগরিক ও পর্যটক বিষয়ক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

উল্লেখযোগ্য যে, জাপানে চীনা পর্যটকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় পর্যটন খাতসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ক্ষেত্র প্রভাবিত হয়েছে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি, চীনে জাপানি শিল্পীদের শো বাতিল, চলচ্চিত্র মুক্তি স্থগিত এবং শেষ দুটি পান্ডা ফেরত পাঠানোর মতো ঘটনা সবই টানাপড়েনের প্রমাণ।

ঘটনার সঙ্গে তাইওয়ান ইস্যু জড়িয়ে থাকা এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ