ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা জেলার দুটি সংসদীয় আসনেই বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। তবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর আলমডাঙ্গায় বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে, এতে ৬ জামায়াত কর্মী আহত হয়েছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা-১ (সদর ও আলমডাঙ্গা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল ২ লাখ ১৩ হাজার ৮৯৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৬৫৯ ভোট।
অন্যদিকে, চুয়াডাঙ্গা-২ (দামুড়হুদা ও জীবননগর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রুহুল আমিন ২ লাখ ১০ হাজার ১১১ ভোট (পোস্টাল ব্যালটসহ) পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির মাহমুদ হাসান খান, যিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৯৯ ভোট।
নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাতটার দিকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনী ফলাফলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার একপর্যায়ে এই সহিংসতা শুরু হয়।
এই ঘটনায় ৬ জন জামায়াত কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন: আবু হাসান (২৩), পিতা: লুৎফর রহমান, লুৎফর রহমান (৫৫), পিতা: মৃত আব্দুল জলিল, আবু বক্কর সিদ্দিক (৬০), পিতা: মৃত আব্দুল জলিল, ইকরামুল হক (৪৫), পিতা: মৃত খেজমত মন্ডল, শমিক (২১), পিতা: ওয়াদুদ, আতিয়ার রহমান (৫০), পিতা: মৃত আবুল হোসেন, শরিফুল ইসলাম (৪৮), পিতা: মৃত মোজাহার হোসেন।
আহতদের স্থানীয়ভাবে ও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর জগন্নাথপুর গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের কথা জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা জেলার দুটি সংসদীয় আসনেই বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। তবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর আলমডাঙ্গায় বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে, এতে ৬ জামায়াত কর্মী আহত হয়েছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা-১ (সদর ও আলমডাঙ্গা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল ২ লাখ ১৩ হাজার ৮৯৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৬৫৯ ভোট।
অন্যদিকে, চুয়াডাঙ্গা-২ (দামুড়হুদা ও জীবননগর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রুহুল আমিন ২ লাখ ১০ হাজার ১১১ ভোট (পোস্টাল ব্যালটসহ) পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির মাহমুদ হাসান খান, যিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৯৯ ভোট।
নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাতটার দিকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনী ফলাফলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার একপর্যায়ে এই সহিংসতা শুরু হয়।
এই ঘটনায় ৬ জন জামায়াত কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন: আবু হাসান (২৩), পিতা: লুৎফর রহমান, লুৎফর রহমান (৫৫), পিতা: মৃত আব্দুল জলিল, আবু বক্কর সিদ্দিক (৬০), পিতা: মৃত আব্দুল জলিল, ইকরামুল হক (৪৫), পিতা: মৃত খেজমত মন্ডল, শমিক (২১), পিতা: ওয়াদুদ, আতিয়ার রহমান (৫০), পিতা: মৃত আবুল হোসেন, শরিফুল ইসলাম (৪৮), পিতা: মৃত মোজাহার হোসেন।
আহতদের স্থানীয়ভাবে ও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর জগন্নাথপুর গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের কথা জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন