ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭:৩০ টা থেকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ কামাল হোসেন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।
পরিদর্শনকালে তারা ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভোটার উপস্থিতি এবং ভোটগ্রহণের পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পুলিশ সুপার বলেন, “ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম চলছে। ভোটাররা নির্ভয়ে এবং নিঃসংকোচিতভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন।”
তিনি আরও জানান, ভোটকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে এবং যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার, স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম ও ডিবি পুলিশের টিম কঠোর নিরাপত্তা অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছে। নির্বাচনি অপরাধের প্রতিক্রিয়া সরাসরি আমলে নিয়ে তা সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকছেন।
জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারদের সঙ্গে কথা বলার সময় নিশ্চিত করেন যে, ভোটারদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে বসানো হয়েছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং মোবাইল টিমের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি চলছে।
উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ভোটাররা সকাল থেকেই তাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হতে শুরু করেন। প্রিজাইডিং অফিসারদের বরাতে জানা যায়, সকাল এবং দুপুর—উভয় পর্যায়ে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো ছিল। ভোটাররা জানান, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারায় তারা সন্তুষ্ট।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম সকল ভোটারকে আহ্বান জানান, “নির্ভয়ে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিন এবং আপনার পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থন জানান। প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সবসময় আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত।”
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণকে স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু রাখতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রতিটি কেন্দ্রে কার্যকর করা হয়েছে। নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা সার্বিক তদারকিতে রয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭:৩০ টা থেকে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ কামাল হোসেন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।
পরিদর্শনকালে তারা ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভোটার উপস্থিতি এবং ভোটগ্রহণের পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পুলিশ সুপার বলেন, “ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম চলছে। ভোটাররা নির্ভয়ে এবং নিঃসংকোচিতভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন।”
তিনি আরও জানান, ভোটকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে এবং যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার, স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম ও ডিবি পুলিশের টিম কঠোর নিরাপত্তা অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছে। নির্বাচনি অপরাধের প্রতিক্রিয়া সরাসরি আমলে নিয়ে তা সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকছেন।
জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারদের সঙ্গে কথা বলার সময় নিশ্চিত করেন যে, ভোটারদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে বসানো হয়েছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং মোবাইল টিমের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি চলছে।
উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ভোটাররা সকাল থেকেই তাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হতে শুরু করেন। প্রিজাইডিং অফিসারদের বরাতে জানা যায়, সকাল এবং দুপুর—উভয় পর্যায়ে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো ছিল। ভোটাররা জানান, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারায় তারা সন্তুষ্ট।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম সকল ভোটারকে আহ্বান জানান, “নির্ভয়ে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিন এবং আপনার পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থন জানান। প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সবসময় আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত।”
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণকে স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু রাখতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রতিটি কেন্দ্রে কার্যকর করা হয়েছে। নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা সার্বিক তদারকিতে রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন