ঢাকার আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১,০২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. সাদ্দাম হোসেন (৩৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যার দিকে আশুলিয়া থানাধীন নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ফুটওভার ব্রিজের নিচে পশ্চিম পাশের পাবলিক টয়লেটের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে অবস্থানরত সাদ্দাম হোসেনকে তল্লাশি করা হলে তার হেফাজত থেকে ১,০২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত সাদ্দাম হোসেন কক্সবাজার জেলার সদর থানার দক্ষিণ কলাতলী জমজম হ্যাচারী এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মো. মোজাম্মেল হক ও মাতা মোছা. রাবেয়া বেগম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে আশুলিয়াসহ আশপাশের এলাকায় সরবরাহ করত বলে পুলিশ ধারণা করছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন আশুলিয়া থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. নাফিউল ইসলাম, পিপিএম। তার নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম এলাকায় অবস্থান নিয়ে নজরদারি চালায়। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।
এ ঘটনায় এসআই মো. নাফিউল ইসলাম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর-৩৫, তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সালের ৩৬(১) এর ১০(ক) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায়, নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই মাদক লেনদেনের ঝুঁকিপূর্ণ স্পট হিসেবে চিহ্নিত ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানান, মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে আশুলিয়াসহ আশপাশের এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকা ব্যস্ত জনবহুল হওয়ায় এখানে মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা উদ্বেগজনক ছিল। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকার আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১,০২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. সাদ্দাম হোসেন (৩৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যার দিকে আশুলিয়া থানাধীন নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ফুটওভার ব্রিজের নিচে পশ্চিম পাশের পাবলিক টয়লেটের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে অবস্থানরত সাদ্দাম হোসেনকে তল্লাশি করা হলে তার হেফাজত থেকে ১,০২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত সাদ্দাম হোসেন কক্সবাজার জেলার সদর থানার দক্ষিণ কলাতলী জমজম হ্যাচারী এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মো. মোজাম্মেল হক ও মাতা মোছা. রাবেয়া বেগম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে আশুলিয়াসহ আশপাশের এলাকায় সরবরাহ করত বলে পুলিশ ধারণা করছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন আশুলিয়া থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. নাফিউল ইসলাম, পিপিএম। তার নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম এলাকায় অবস্থান নিয়ে নজরদারি চালায়। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।
এ ঘটনায় এসআই মো. নাফিউল ইসলাম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর-৩৫, তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সালের ৩৬(১) এর ১০(ক) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায়, নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই মাদক লেনদেনের ঝুঁকিপূর্ণ স্পট হিসেবে চিহ্নিত ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানান, মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে আশুলিয়াসহ আশপাশের এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকা ব্যস্ত জনবহুল হওয়ায় এখানে মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা উদ্বেগজনক ছিল। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন