রাজধানীর বনানীতে অসহায় ও অসুস্থ প্রাণীদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি বিশেষায়িত ‘ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক’ কার্যক্রম শুরু করেছে। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বনানীর কে ব্লকের ২৪ নম্বর রোডের ১৮ নম্বর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ক্লিনিকটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ এনিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (বাওয়া) প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘দেশ হোক সকল প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল’—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বাংলাদেশ এনিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা শহরে প্রাণীদের জন্য সার্বক্ষণিক ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবার পাশাপাশি এখন থেকে এই ক্লিনিকে নিয়মিত বিনামূল্যে চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হবে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টরা জানান, নগরায়নের এই যুগে পশু-পাখিরা প্রায়ই অবহেলা ও দুর্ঘটনার শিকার হয়। এই ক্লিনিকটি কেবল অসুস্থ প্রাণীদের জীবন রক্ষাই করবে না, বরং সাধারণ মানুষকে প্রাণীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও সচেতন করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অভিজ্ঞ জনবল নিয়ে সজ্জিত এই কেন্দ্রটি রাজধানীর প্রাণিকল্যাণ কার্যক্রমে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও প্রাণী অধিকার কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের প্রতিটি অঞ্চলে প্রকৃতি ও প্রাণী সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর বনানীতে অসহায় ও অসুস্থ প্রাণীদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি বিশেষায়িত ‘ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক’ কার্যক্রম শুরু করেছে। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বনানীর কে ব্লকের ২৪ নম্বর রোডের ১৮ নম্বর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ক্লিনিকটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ এনিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (বাওয়া) প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘দেশ হোক সকল প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল’—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বাংলাদেশ এনিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা শহরে প্রাণীদের জন্য সার্বক্ষণিক ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবার পাশাপাশি এখন থেকে এই ক্লিনিকে নিয়মিত বিনামূল্যে চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হবে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টরা জানান, নগরায়নের এই যুগে পশু-পাখিরা প্রায়ই অবহেলা ও দুর্ঘটনার শিকার হয়। এই ক্লিনিকটি কেবল অসুস্থ প্রাণীদের জীবন রক্ষাই করবে না, বরং সাধারণ মানুষকে প্রাণীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও সচেতন করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অভিজ্ঞ জনবল নিয়ে সজ্জিত এই কেন্দ্রটি রাজধানীর প্রাণিকল্যাণ কার্যক্রমে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও প্রাণী অধিকার কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের প্রতিটি অঞ্চলে প্রকৃতি ও প্রাণী সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন