আফগানিস্তানের বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ‘ইমারাতে ইসলামিয়া’কে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। আফগানিস্তানে নিযুক্ত ইরানি দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি আলিরেজা বেকদালি সম্প্রতি একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইমারাতে ইসলামিয়াকে স্বীকৃতি দিতে ইরানের এখন আর কোনো বাধা নেই এবং খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।
বেকদালি উল্লেখ করেন যে, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আফগানিস্তানের সঙ্গে ইরানের বর্তমানে বহুমুখী ও শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রয়েছে। এই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতেই ইরান স্বীকৃতির বিষয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধসহ অন্যান্য সমস্যার একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সফলভাবে সমাধান করা হয়েছে।
আফগানিস্তানের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কিছু বহিরাগত পক্ষ নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করলেও ইরান বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। বেকদালি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এসব চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠে একটি স্থিতিশীল আঞ্চলিক পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের স্বীকৃতি না দিলেও তেহরান নিয়মিতভাবে আফগান কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আসছিল। এই সম্ভাব্য স্বীকৃতি আঞ্চলিক রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আফগানিস্তানের বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ‘ইমারাতে ইসলামিয়া’কে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। আফগানিস্তানে নিযুক্ত ইরানি দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি আলিরেজা বেকদালি সম্প্রতি একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইমারাতে ইসলামিয়াকে স্বীকৃতি দিতে ইরানের এখন আর কোনো বাধা নেই এবং খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।
বেকদালি উল্লেখ করেন যে, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আফগানিস্তানের সঙ্গে ইরানের বর্তমানে বহুমুখী ও শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রয়েছে। এই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতেই ইরান স্বীকৃতির বিষয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধসহ অন্যান্য সমস্যার একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সফলভাবে সমাধান করা হয়েছে।
আফগানিস্তানের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কিছু বহিরাগত পক্ষ নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করলেও ইরান বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। বেকদালি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এসব চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠে একটি স্থিতিশীল আঞ্চলিক পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের স্বীকৃতি না দিলেও তেহরান নিয়মিতভাবে আফগান কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আসছিল। এই সম্ভাব্য স্বীকৃতি আঞ্চলিক রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন