‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এক বিস্ফোরক বিশ্লেষণ ও কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বর্তমান সময়কে জুলাই বিপ্লবের চেতনা রক্ষার এক অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
মাহমুদুর রহমান তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে মূলত ভারতের আধিপত্যবাদ ও দালালমুক্ত সংসদ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, বিগত বছরগুলোতে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের মূল শক্তি ছিল ভারতীয় আধিপত্যবাদ। তিনি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন যে, যারা ভারতের দাললি করে ক্ষমতার স্বাদ নিতে চায়, তাদের সংসদে এনে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তকে অপমান করা যাবে না। বিশেষ করে জাতীয় পার্টিসহ যেসব দল ফ্যাসিবাদের সহযোগী ছিল, তাদের ভোট না দিতে তিনি ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
ভোটারদের প্রতি তার বিশেষ পরামর্শ হলো, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে প্রথমে গণভোটে ‘জুলাই সনদ’ বা সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ সিল দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করা। এরপর দ্বিতীয় ব্যালটে নিজের পছন্দের দেশপ্রেমিক প্রার্থীকে ভোট দেওয়া। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে গণতান্ত্রিক অধিকারও প্রতিষ্ঠিত হবে। মাহমুদুর রহমান ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, একটি সুস্থ গণতন্ত্রে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন থাকা জরুরি। তার মতে, সব দল মিলে সরকার গঠন করলে জবাবদিহিতা হারিয়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত স্বৈরতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করে।
তিনি জুলাই বিপ্লবের শহীদ আবু সাঈদ ও ওয়াসিমদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, এই বিপ্লবকে জীবিত রাখতে হলে খুনিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ‘ছদ্মবেশী ফ্যাসিবাদ’ যেন পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে না উঠতে পারে সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। মাহমুদুর রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, আওয়ামী লীগ তার জন্মলগ্ন থেকেই একটি সহিংস রাজনৈতিক দল। বর্তমানে নির্বাচনে সহিংসতার হার যে উল্লেখযোগ্যভাবে কম, তার প্রধান কারণ নির্বাচনী মাঠে এই দলটির অনুপস্থিতি। তিনি দেশপ্রেমিক শক্তিগুলোকে একতাবদ্ধ হয়ে ভারতের প্রভাবমুক্ত একটি সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার ডাক দিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এক বিস্ফোরক বিশ্লেষণ ও কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বর্তমান সময়কে জুলাই বিপ্লবের চেতনা রক্ষার এক অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
মাহমুদুর রহমান তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে মূলত ভারতের আধিপত্যবাদ ও দালালমুক্ত সংসদ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, বিগত বছরগুলোতে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের মূল শক্তি ছিল ভারতীয় আধিপত্যবাদ। তিনি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন যে, যারা ভারতের দাললি করে ক্ষমতার স্বাদ নিতে চায়, তাদের সংসদে এনে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তকে অপমান করা যাবে না। বিশেষ করে জাতীয় পার্টিসহ যেসব দল ফ্যাসিবাদের সহযোগী ছিল, তাদের ভোট না দিতে তিনি ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
ভোটারদের প্রতি তার বিশেষ পরামর্শ হলো, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে প্রথমে গণভোটে ‘জুলাই সনদ’ বা সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ সিল দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করা। এরপর দ্বিতীয় ব্যালটে নিজের পছন্দের দেশপ্রেমিক প্রার্থীকে ভোট দেওয়া। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে গণতান্ত্রিক অধিকারও প্রতিষ্ঠিত হবে। মাহমুদুর রহমান ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, একটি সুস্থ গণতন্ত্রে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন থাকা জরুরি। তার মতে, সব দল মিলে সরকার গঠন করলে জবাবদিহিতা হারিয়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত স্বৈরতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করে।
তিনি জুলাই বিপ্লবের শহীদ আবু সাঈদ ও ওয়াসিমদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, এই বিপ্লবকে জীবিত রাখতে হলে খুনিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ‘ছদ্মবেশী ফ্যাসিবাদ’ যেন পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে না উঠতে পারে সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। মাহমুদুর রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, আওয়ামী লীগ তার জন্মলগ্ন থেকেই একটি সহিংস রাজনৈতিক দল। বর্তমানে নির্বাচনে সহিংসতার হার যে উল্লেখযোগ্যভাবে কম, তার প্রধান কারণ নির্বাচনী মাঠে এই দলটির অনুপস্থিতি। তিনি দেশপ্রেমিক শক্তিগুলোকে একতাবদ্ধ হয়ে ভারতের প্রভাবমুক্ত একটি সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার ডাক দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন