আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা অনেকের কাছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অভূতপূর্ব আনন্দ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজধানীর প্রধান বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। বিশেষ করে সায়দাবাদ ও যাত্রাবাড়ী পয়েন্টে যাত্রী ও যানবাহনের চাপে তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
হাজারো শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে ভোট দেওয়ার জন্য ঢাকা ছাড়ছেন। যাত্রাবাড়ী মোড়ে বাসের অপেক্ষায় থাকা বেসরকারি চাকরিজীবী কামরুল হাসান বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর নিজের ভোট নিজে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। পছন্দের মানুষকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারবো—এই আনন্দ বলে বোঝানো যাবে না। তাই কষ্ট হলেও পরিবারের সাথে ভোট দিতে গ্রামে যাচ্ছি।”
একই স্থানে রিকশাচালক আব্দুল মান্নান বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষ চাই শান্তি। এবার অনেক বছর পর পছন্দের মানুষকে ভোট দিব। ইনশাআল্লাহ, এমন একজনকেই ভোট দিব যে দেশের জন্য কাজ করবে, আমাদের মতো গরিবের পাশে থাকবে।”
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নির্বাচনের তারিখ এগিয়ে আসায় যাত্রীদের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দক্ষিণ ও পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন রুটে অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থা করা হলেও মানুষের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
সারাদেশের মতো রাজধানীতেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কড়া নজরদারি বজায় রেখেছে, যাতে ভোট দিতে যাওয়া সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।
সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা, এবার একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তারা এমন এক নেতৃত্ব পাবেন যারা দেশ ও জনগণের প্রকৃত উন্নয়নে নিবেদিত থাকবে। বিশ্লেষকরা এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবনের পথে একটি ঐতিহাসিক ধাপ হিসেবে দেখছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা অনেকের কাছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অভূতপূর্ব আনন্দ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজধানীর প্রধান বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। বিশেষ করে সায়দাবাদ ও যাত্রাবাড়ী পয়েন্টে যাত্রী ও যানবাহনের চাপে তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
হাজারো শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে ভোট দেওয়ার জন্য ঢাকা ছাড়ছেন। যাত্রাবাড়ী মোড়ে বাসের অপেক্ষায় থাকা বেসরকারি চাকরিজীবী কামরুল হাসান বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর নিজের ভোট নিজে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। পছন্দের মানুষকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারবো—এই আনন্দ বলে বোঝানো যাবে না। তাই কষ্ট হলেও পরিবারের সাথে ভোট দিতে গ্রামে যাচ্ছি।”
একই স্থানে রিকশাচালক আব্দুল মান্নান বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষ চাই শান্তি। এবার অনেক বছর পর পছন্দের মানুষকে ভোট দিব। ইনশাআল্লাহ, এমন একজনকেই ভোট দিব যে দেশের জন্য কাজ করবে, আমাদের মতো গরিবের পাশে থাকবে।”
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নির্বাচনের তারিখ এগিয়ে আসায় যাত্রীদের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দক্ষিণ ও পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন রুটে অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থা করা হলেও মানুষের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
সারাদেশের মতো রাজধানীতেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কড়া নজরদারি বজায় রেখেছে, যাতে ভোট দিতে যাওয়া সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।
সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা, এবার একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তারা এমন এক নেতৃত্ব পাবেন যারা দেশ ও জনগণের প্রকৃত উন্নয়নে নিবেদিত থাকবে। বিশ্লেষকরা এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবনের পথে একটি ঐতিহাসিক ধাপ হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন