আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হক রেজা জানিয়েছেন, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের কোনো পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই।
ডিআইজি রেজা বলেন, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। নির্বাচনের সময় কোথাও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে। একই সঙ্গে যশোরের পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ভোট কেন্দ্রে শান্তি ও স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
নির্বাচনী নিরাপত্তায় মাঠে রয়েছে র্যাব, ডিএমপি ও আনসার-ভিডিপি বাহিনী। র্যাব-৯ সিলেটে জানিয়েছে, বড় ধরনের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। ডিএমপি কমিশনার জানিয়েছেন, রাজধানীর ভোটকেন্দ্রগুলোতে মোবাইল দল, স্ট্রাইকিং ইউনিট ও কন্ট্রোল রুমসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে “ঝুঁকিপূর্ণ” ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সরকারি পর্যায়ে বলা হয়েছে, কোনো অসদাচরণ বা পক্ষপাতিতার ঘটনা ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও হোম অ্যাফেয়ার্স এ্যাডভাইজার বারবার বলেছেন, পুলিশ কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করবে না। এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক হিসেবে প্রায় ১৬টি দেশ নির্বাচনে নজরদারি করবে।
তবে কিছু রাজনৈতিক দল নিরাপত্তা ও পক্ষপাতিত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, কিছু এলাকায় পুলিশের আচরণ নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন পর্যবেক্ষণ করবে।
নির্বাচনকে নিরপেক্ষ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারী কর্মকর্তারা সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। ভোটারদের নিরাপত্তা, শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ পর্যায়ের মূল লক্ষ্য।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হক রেজা জানিয়েছেন, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের কোনো পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই।
ডিআইজি রেজা বলেন, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। নির্বাচনের সময় কোথাও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে। একই সঙ্গে যশোরের পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ভোট কেন্দ্রে শান্তি ও স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
নির্বাচনী নিরাপত্তায় মাঠে রয়েছে র্যাব, ডিএমপি ও আনসার-ভিডিপি বাহিনী। র্যাব-৯ সিলেটে জানিয়েছে, বড় ধরনের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। ডিএমপি কমিশনার জানিয়েছেন, রাজধানীর ভোটকেন্দ্রগুলোতে মোবাইল দল, স্ট্রাইকিং ইউনিট ও কন্ট্রোল রুমসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে “ঝুঁকিপূর্ণ” ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সরকারি পর্যায়ে বলা হয়েছে, কোনো অসদাচরণ বা পক্ষপাতিতার ঘটনা ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও হোম অ্যাফেয়ার্স এ্যাডভাইজার বারবার বলেছেন, পুলিশ কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করবে না। এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক হিসেবে প্রায় ১৬টি দেশ নির্বাচনে নজরদারি করবে।
তবে কিছু রাজনৈতিক দল নিরাপত্তা ও পক্ষপাতিত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, কিছু এলাকায় পুলিশের আচরণ নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন পর্যবেক্ষণ করবে।
নির্বাচনকে নিরপেক্ষ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারী কর্মকর্তারা সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। ভোটারদের নিরাপত্তা, শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ পর্যায়ের মূল লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন