নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী নিয়ে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেছে। শুরুতে এই আসনের জন্য বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস মনোনীত করেছিলেন মুহাম্মদ শাহজাহান শিবলীকে। কিন্তু পরে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ও জোটের সমন্বয়ের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়াকে চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়।
এই পরিবর্তনের ফলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এবং ভোটারদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবলী প্রাথমিকভাবে প্রার্থী হওয়ার পরও নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে যাননি। তার এই অবস্থান ভোটের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং তাকে ‘রাজনৈতিক প্রতারণার শিকার প্রার্থী’ হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে বলে সমর্থকরা উল্লেখ করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, জোটের মধ্যবর্তী এই প্রার্থী পরিবর্তন ও কেন্দ্রীয় চাপ ভোটারদের কাছে জোটের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। মাঠপর্যায়ের মতামত উপেক্ষা, সমঝোতার নামে নাটকীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘটনা রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতায় প্রভাব ফেলেছে।
স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে, যদি এমনভাবে জোট প্রার্থী পরিবর্তন করতে পারে, তবে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কেমন নীতিহীন আচরণ হতে পারে। যদিও এর প্রভাব ভোটের ফলাফলের ওপর কতটা পড়বে, তা শুধুমাত্র ভোটের দিনই পরিষ্কার হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী নিয়ে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেছে। শুরুতে এই আসনের জন্য বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস মনোনীত করেছিলেন মুহাম্মদ শাহজাহান শিবলীকে। কিন্তু পরে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ও জোটের সমন্বয়ের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়াকে চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়।
এই পরিবর্তনের ফলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এবং ভোটারদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবলী প্রাথমিকভাবে প্রার্থী হওয়ার পরও নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে যাননি। তার এই অবস্থান ভোটের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং তাকে ‘রাজনৈতিক প্রতারণার শিকার প্রার্থী’ হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে বলে সমর্থকরা উল্লেখ করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, জোটের মধ্যবর্তী এই প্রার্থী পরিবর্তন ও কেন্দ্রীয় চাপ ভোটারদের কাছে জোটের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। মাঠপর্যায়ের মতামত উপেক্ষা, সমঝোতার নামে নাটকীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘটনা রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতায় প্রভাব ফেলেছে।
স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে, যদি এমনভাবে জোট প্রার্থী পরিবর্তন করতে পারে, তবে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কেমন নীতিহীন আচরণ হতে পারে। যদিও এর প্রভাব ভোটের ফলাফলের ওপর কতটা পড়বে, তা শুধুমাত্র ভোটের দিনই পরিষ্কার হবে।

আপনার মতামত লিখুন