টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এ’-এর আজকের ম্যাচে পাকিস্তান এবং যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি হচ্ছে। মার্কিন দলের লেগ স্পিনার মোহাম্মদ মহসিন মন্তব্য করেছেন, পাকিস্তানের ওপরই বেশি চাপ থাকবে। দুই বছর আগে ২০২৪ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সুপার ওভারে হেরে বড় ধাক্কা খেয়েছিল। সেই স্মৃতিই এখন পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের মনে চাপ তৈরি করছে।
মহসিন, যিনি পাকিস্তানে জন্ম ও বেড়ে ওঠা, পাঁচ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান, বলেন, “বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র দল আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী এবং আত্মবিশ্বাসী। আমি পাকিস্তান দলের অনেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে আগে খেলেছি, তাই দলের প্রয়োজনীয় ইনপুট দিতে পারছি।”
পাকিস্তান শিবির বিষয়টিকে অতীত হিসেবেই দেখতে চায়। পেসার সালমান মির্জা বলেন, “জয়–পরাজয় খেলার অংশ, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হার এখন অতীত।” তবে আত্মবিশ্বাস থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানের জন্য পরিস্থিতি সহজ নয়। নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে তাদের প্রথম ম্যাচেও শেষ মুহূর্তে জয় অর্জন করতে হয়েছে।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হারের কারণেই পাকিস্তান গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল। মির্জা স্বীকার করেন, ছোট দলকেও হালকাভাবে নেওয়া যাবে না, কারণ এই ফরম্যাটে সব ম্যাচই সমানভাবে চ্যালেঞ্জিং। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৩ উইকেট নেওয়া এই পেসার জানান, পাকিস্তান দলে পরিবর্তন আসতে পারে এবং সমালোচিত বাবর আজামের জায়গায় ফখর জামানকে ফিরিয়ে আনা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ম্যাচে ভারতকে বিপুল চাপে ফেললেও শেষ পর্যন্ত ২৯ রানে হেরেছে। আজকের মুখোমুখি লড়াইয়ে সেই অভিজ্ঞতা পাকিস্তানের জন্য সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এ’-এর আজকের ম্যাচে পাকিস্তান এবং যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি হচ্ছে। মার্কিন দলের লেগ স্পিনার মোহাম্মদ মহসিন মন্তব্য করেছেন, পাকিস্তানের ওপরই বেশি চাপ থাকবে। দুই বছর আগে ২০২৪ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সুপার ওভারে হেরে বড় ধাক্কা খেয়েছিল। সেই স্মৃতিই এখন পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের মনে চাপ তৈরি করছে।
মহসিন, যিনি পাকিস্তানে জন্ম ও বেড়ে ওঠা, পাঁচ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান, বলেন, “বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র দল আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী এবং আত্মবিশ্বাসী। আমি পাকিস্তান দলের অনেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে আগে খেলেছি, তাই দলের প্রয়োজনীয় ইনপুট দিতে পারছি।”
পাকিস্তান শিবির বিষয়টিকে অতীত হিসেবেই দেখতে চায়। পেসার সালমান মির্জা বলেন, “জয়–পরাজয় খেলার অংশ, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হার এখন অতীত।” তবে আত্মবিশ্বাস থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানের জন্য পরিস্থিতি সহজ নয়। নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে তাদের প্রথম ম্যাচেও শেষ মুহূর্তে জয় অর্জন করতে হয়েছে।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হারের কারণেই পাকিস্তান গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল। মির্জা স্বীকার করেন, ছোট দলকেও হালকাভাবে নেওয়া যাবে না, কারণ এই ফরম্যাটে সব ম্যাচই সমানভাবে চ্যালেঞ্জিং। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৩ উইকেট নেওয়া এই পেসার জানান, পাকিস্তান দলে পরিবর্তন আসতে পারে এবং সমালোচিত বাবর আজামের জায়গায় ফখর জামানকে ফিরিয়ে আনা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ম্যাচে ভারতকে বিপুল চাপে ফেললেও শেষ পর্যন্ত ২৯ রানে হেরেছে। আজকের মুখোমুখি লড়াইয়ে সেই অভিজ্ঞতা পাকিস্তানের জন্য সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন