জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশব্যাপী নির্বাচনি সফর শেষ করেছেন। ২৩ জানুয়ারি পঞ্চগড় থেকে শুরু হওয়া এই সফর ৭ ফেব্রুয়ারি সিলেটের জনসভার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়। ঢাকার বাইরে ১৫ দিনে আটটি বিভাগের ৪৩টি জেলায় অর্ধশতাধিক বড় জনসভা ও কিছু পথসভায় তিনি বক্তব্য রাখেন। ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের পক্ষ থেকে আয়োজিত এসব সভায় আগামী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন।
ডা. শফিকুর রহমান এই সফরে মোট সাত হাজার কিমি পথ পাড়ি দিয়েছেন। অধিকাংশ সময় হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হলেও কিছু অংশ সড়ক পথে তিনি হেঁটে গণসংযোগ করেছেন। হার্টের বড় ধরনের অপারেশনের মাত্র ছয় মাসের মাথায় ৬৭ বছর বয়সি নেতার এই অক্লান্ত প্রচেষ্টা অনেকের নজর কাড়ে।
সফরের সময় তিনি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, তরুণদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা সংস্কারসহ নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিএনপির নারীর প্রতি হামলার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি ভোটারদের জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের প্রতি ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চিহ্নে ভোট দেওয়ার পরামর্শ দেন।
সফরের প্রতিক্রিয়া ব্যাপক; প্রতিটি জনসভায় ভোটারদের অংশগ্রহণ লক্ষ্যণীয় ছিল। সফরসঙ্গী জাগপা সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান উল্লেখ করেছেন, তার এই সফর অত্যন্ত সফল ও চমৎকার ছিল, এবং অনেকেই তাকে আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশব্যাপী নির্বাচনি সফর শেষ করেছেন। ২৩ জানুয়ারি পঞ্চগড় থেকে শুরু হওয়া এই সফর ৭ ফেব্রুয়ারি সিলেটের জনসভার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়। ঢাকার বাইরে ১৫ দিনে আটটি বিভাগের ৪৩টি জেলায় অর্ধশতাধিক বড় জনসভা ও কিছু পথসভায় তিনি বক্তব্য রাখেন। ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের পক্ষ থেকে আয়োজিত এসব সভায় আগামী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন।
ডা. শফিকুর রহমান এই সফরে মোট সাত হাজার কিমি পথ পাড়ি দিয়েছেন। অধিকাংশ সময় হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হলেও কিছু অংশ সড়ক পথে তিনি হেঁটে গণসংযোগ করেছেন। হার্টের বড় ধরনের অপারেশনের মাত্র ছয় মাসের মাথায় ৬৭ বছর বয়সি নেতার এই অক্লান্ত প্রচেষ্টা অনেকের নজর কাড়ে।
সফরের সময় তিনি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, তরুণদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা সংস্কারসহ নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিএনপির নারীর প্রতি হামলার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি ভোটারদের জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের প্রতি ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চিহ্নে ভোট দেওয়ার পরামর্শ দেন।
সফরের প্রতিক্রিয়া ব্যাপক; প্রতিটি জনসভায় ভোটারদের অংশগ্রহণ লক্ষ্যণীয় ছিল। সফরসঙ্গী জাগপা সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান উল্লেখ করেছেন, তার এই সফর অত্যন্ত সফল ও চমৎকার ছিল, এবং অনেকেই তাকে আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

আপনার মতামত লিখুন