লন্ডনের একটি হোটেলে নামাজ আদায়ের সুযোগ না পেয়ে সেই ভবনটির একটি অংশ কিনে মসজিদে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন ব্রিটিশ বিলিওনিয়ার রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী আসিফ আজিজ।
কেন্দ্রীয় লন্ডনের আবাসন খাতে প্রভাবশালী ও ‘মিস্টার ওয়েস্ট এন্ড’ নামে পরিচিত আসিফ আজিজ ঐতিহাসিক ট্রোকাডেরো ভবনের একটি অংশকে তিনতলা মসজিদে রূপান্তরের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, লন্ডনের ওই হোটেলটিতে নামাজ পড়ার জায়গা না পেয়ে ব্যক্তিগতভাবে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছিলেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটেই তিনি ভবনটির মালিকানা নিয়ে সেখানে স্থায়ীভাবে ইবাদতখানা তৈরির সাহসী পদক্ষেপ নেন।
উদ্যোক্তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, নবনির্মিত এই মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ৩য়০ জন মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করতে পারবেন। তবে ব্যস্ততম এই পর্যটন এলাকায় বড় পরিসরে ইসলামিক সেন্টার নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনায় স্থানীয় কিছু মহলের আপত্তির মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। পরবর্তীতে নকশায় প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিমার্জন আনার পর ওয়েস্টমিনস্টার কাউন্সিল প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়।
সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনাটি মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। মুসলিম কমিউনিটির অনেকেই বিষয়টিকে ধর্মীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, জনাকীর্ণ এলাকায় নগরায়ন ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ভিন্নমতও লক্ষ্য করা গেছে। আসিফ আজিজের মালিকানাধীন ক্রাইটেরিয়ন ক্যাপিটাল বর্তমানে এই নির্মাণ প্রকল্পটির তদারকি করছে, যা লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে আধ্যাত্মিক চর্চার এক নতুন কেন্দ্র হতে যাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লন্ডনের একটি হোটেলে নামাজ আদায়ের সুযোগ না পেয়ে সেই ভবনটির একটি অংশ কিনে মসজিদে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন ব্রিটিশ বিলিওনিয়ার রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী আসিফ আজিজ।
কেন্দ্রীয় লন্ডনের আবাসন খাতে প্রভাবশালী ও ‘মিস্টার ওয়েস্ট এন্ড’ নামে পরিচিত আসিফ আজিজ ঐতিহাসিক ট্রোকাডেরো ভবনের একটি অংশকে তিনতলা মসজিদে রূপান্তরের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, লন্ডনের ওই হোটেলটিতে নামাজ পড়ার জায়গা না পেয়ে ব্যক্তিগতভাবে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছিলেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটেই তিনি ভবনটির মালিকানা নিয়ে সেখানে স্থায়ীভাবে ইবাদতখানা তৈরির সাহসী পদক্ষেপ নেন।
উদ্যোক্তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, নবনির্মিত এই মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ৩য়০ জন মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করতে পারবেন। তবে ব্যস্ততম এই পর্যটন এলাকায় বড় পরিসরে ইসলামিক সেন্টার নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনায় স্থানীয় কিছু মহলের আপত্তির মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। পরবর্তীতে নকশায় প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিমার্জন আনার পর ওয়েস্টমিনস্টার কাউন্সিল প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়।
সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনাটি মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। মুসলিম কমিউনিটির অনেকেই বিষয়টিকে ধর্মীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, জনাকীর্ণ এলাকায় নগরায়ন ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ভিন্নমতও লক্ষ্য করা গেছে। আসিফ আজিজের মালিকানাধীন ক্রাইটেরিয়ন ক্যাপিটাল বর্তমানে এই নির্মাণ প্রকল্পটির তদারকি করছে, যা লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে আধ্যাত্মিক চর্চার এক নতুন কেন্দ্র হতে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন