“আপনারা যদি ইসলামের পক্ষে, কোরআনের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, আপনারা সোয়াবের ভাগী হবেন, আপনাদের জন্য জান্নাত অবধারিত। আর যদি কোরআনের বিরুদ্ধে ভোট দেন, তাহলে গুনাহগার হবেন”—এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ আর হাফিজ উল্যাহর ওই বক্তব্যের ভিডিও রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ১ মিনিট ১৬ সেকেন্ডের ভিডিওটি ঘিরে এলাকায় ও অনলাইনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। হাফিজ উল্যাহ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এবং রামগতি উপজেলার বাসিন্দা।
স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমলনগর উপজেলার একটি ব্লকে ৪–৫ দিন আগে গণসংযোগের সময় দেওয়া বক্তব্য থেকেই ভিডিওটি ধারণ করা হয়। ভিডিওতে মাইক হাতে হাফিজ উল্যাহকে বলতে শোনা যায়, “মা-বোনদের জন্য বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা আছে—কিন্তু এগুলো আপনারা পান না। জেলে কার্ডও পাওয়া যায় না। একদল দুর্নীতি করতে করতে শেষ, আরেকদল আগেও দুর্নীতি করেছে, আবার করতে রেডি। আমাদের দ্বারা দুর্নীতি হবে না। আপনারা যদি ইসলামের পক্ষে কোরআনের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, আপনারা সোয়াবের ভাগী হবেন, জান্নাত অবধারিত। আর যদি কোরআনের বিরুদ্ধে ভোট দেন, তাহলে গুনাহগার হবেন।”
ভিডিওটি শেয়ার করে মাইন উদ্দীন নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “তারা এভাবে দেশের সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে। হাফিজ ভাই, আর কত এভাবে মানুষকে ধোঁকা দেবেন? আপনি যদি জান্নাতের টিকিট দিতে পারেন, তাহলে আমি আমার প্রথম ভোট আপনাকেই দেব।”
এ বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী এ আর হাফিজ উল্যাহ বলেন, এটি তাদের একটি অভ্যন্তরীণ কর্মসূচির বক্তব্য ছিল। অনেক বক্তব্যের অংশ কেটে জোড়া লাগিয়ে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, “আমি এ ধরনের বক্তব্য দিইনি। এ ঘটনায় আমরা প্রতিবাদ জানাব।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
“আপনারা যদি ইসলামের পক্ষে, কোরআনের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, আপনারা সোয়াবের ভাগী হবেন, আপনাদের জন্য জান্নাত অবধারিত। আর যদি কোরআনের বিরুদ্ধে ভোট দেন, তাহলে গুনাহগার হবেন”—এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ আর হাফিজ উল্যাহর ওই বক্তব্যের ভিডিও রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ১ মিনিট ১৬ সেকেন্ডের ভিডিওটি ঘিরে এলাকায় ও অনলাইনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। হাফিজ উল্যাহ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এবং রামগতি উপজেলার বাসিন্দা।
স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমলনগর উপজেলার একটি ব্লকে ৪–৫ দিন আগে গণসংযোগের সময় দেওয়া বক্তব্য থেকেই ভিডিওটি ধারণ করা হয়। ভিডিওতে মাইক হাতে হাফিজ উল্যাহকে বলতে শোনা যায়, “মা-বোনদের জন্য বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা আছে—কিন্তু এগুলো আপনারা পান না। জেলে কার্ডও পাওয়া যায় না। একদল দুর্নীতি করতে করতে শেষ, আরেকদল আগেও দুর্নীতি করেছে, আবার করতে রেডি। আমাদের দ্বারা দুর্নীতি হবে না। আপনারা যদি ইসলামের পক্ষে কোরআনের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, আপনারা সোয়াবের ভাগী হবেন, জান্নাত অবধারিত। আর যদি কোরআনের বিরুদ্ধে ভোট দেন, তাহলে গুনাহগার হবেন।”
ভিডিওটি শেয়ার করে মাইন উদ্দীন নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “তারা এভাবে দেশের সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে। হাফিজ ভাই, আর কত এভাবে মানুষকে ধোঁকা দেবেন? আপনি যদি জান্নাতের টিকিট দিতে পারেন, তাহলে আমি আমার প্রথম ভোট আপনাকেই দেব।”
এ বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী এ আর হাফিজ উল্যাহ বলেন, এটি তাদের একটি অভ্যন্তরীণ কর্মসূচির বক্তব্য ছিল। অনেক বক্তব্যের অংশ কেটে জোড়া লাগিয়ে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, “আমি এ ধরনের বক্তব্য দিইনি। এ ঘটনায় আমরা প্রতিবাদ জানাব।”

আপনার মতামত লিখুন