ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, অতীতে নির্বাচনে পুলিশ ব্যবহারের যে দিকগুলোকে কালিম বলা যেত, এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে তা সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে একটি অর্থবহ ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন তাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দেশের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ধারাকে এগিয়ে নিতে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।
ঢাকায় ২,১৩১টি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোকে দুটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ১,৬১৪টি কেন্দ্রে চারজন করে পুলিশ এবং সাধারণ ৫১৭টি কেন্দ্রে তিনজন করে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত ৩৭টি কেন্দ্রে সাতজন করে পুলিশ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজনের কাছে বডি অন ক্যামেরা থাকবে, ১৮০টি স্টাইকিং টিম ও ৫১০টি মোবাইল টিম নিয়োজিত থাকবে।
ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, শহরের আটটি বিভাগে আটটি কন্ট্রোল রুম এবং চারটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম থাকবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে স্পেশাল রিজার্ভ ফোর্স, সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজ টিম, ক্রাইম সিন ভ্যান ও অশ্বারোহী পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভোট কেন্দ্রে নিশ্চিন্তে, নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ভোট প্রদান করুন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার ঐতিহাসিক এই মুহূর্তে সকলের সম্মিলিত অবদান অপরিহার্য।
নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নির্বাচনে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো থ্রেট নেই, পরিবেশ স্বাভাবিক এবং নির্বাচন সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য হবে। তিনি পুলিশের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করেছেন এবং অতীতের ভুলগুলো এড়িয়ে এবার কোনো দলের পক্ষে কাজ করা হবে না বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কিত ভিডিও প্রসঙ্গে বলেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় যথাসম্ভব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং নির্বাচনের নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ প্রস্তুত।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, অতীতে নির্বাচনে পুলিশ ব্যবহারের যে দিকগুলোকে কালিম বলা যেত, এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে তা সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে একটি অর্থবহ ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন তাদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দেশের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ধারাকে এগিয়ে নিতে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।
ঢাকায় ২,১৩১টি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোকে দুটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ১,৬১৪টি কেন্দ্রে চারজন করে পুলিশ এবং সাধারণ ৫১৭টি কেন্দ্রে তিনজন করে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত ৩৭টি কেন্দ্রে সাতজন করে পুলিশ থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজনের কাছে বডি অন ক্যামেরা থাকবে, ১৮০টি স্টাইকিং টিম ও ৫১০টি মোবাইল টিম নিয়োজিত থাকবে।
ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, শহরের আটটি বিভাগে আটটি কন্ট্রোল রুম এবং চারটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম থাকবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে স্পেশাল রিজার্ভ ফোর্স, সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজ টিম, ক্রাইম সিন ভ্যান ও অশ্বারোহী পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভোট কেন্দ্রে নিশ্চিন্তে, নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ভোট প্রদান করুন। নতুন বাংলাদেশ গড়ার ঐতিহাসিক এই মুহূর্তে সকলের সম্মিলিত অবদান অপরিহার্য।
নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নির্বাচনে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো থ্রেট নেই, পরিবেশ স্বাভাবিক এবং নির্বাচন সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য হবে। তিনি পুলিশের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করেছেন এবং অতীতের ভুলগুলো এড়িয়ে এবার কোনো দলের পক্ষে কাজ করা হবে না বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কিত ভিডিও প্রসঙ্গে বলেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় যথাসম্ভব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং নির্বাচনের নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ প্রস্তুত।

আপনার মতামত লিখুন