বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পুনর্গঠন ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ধানের শীষ জয়ী হলে বিএনপি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের কাজ করবে।
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়ে তারেক রহমান বলেন, নারী, কৃষক, তরুণ ও ধর্মীয় নেতাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীকরণ এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পরিকল্পনা বিএনপির মূল অঙ্গ।
তারেক রহমান আরও জানান, তিনি ও তার ভাই এই এলাকাতেই বড় হয়েছেন এবং তাদের পরিবার ও সন্তানদের জন্মও এখানে। ফলে এলাকার সঙ্গে তাদের গভীর পারিবারিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ সময় এই এলাকাতে কাটিয়েছেন, যা দলের রাজনৈতিক পরিচয়কে আরও শক্তিশালী করেছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় জনগণের প্রত্যাশা বাড়ে এবং বিএনপির মতো একটি বড় দলের প্রতি মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএনপি কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করতে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকার গঠন করলে দেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীকরণে গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, বিএনপি সরকার গঠন করলে গৃহিণী ও মায়েদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে ন্যূনতম আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। শিক্ষিত ও প্রান্তিক নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা হবে।
কৃষি খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষিই বাংলাদেশের প্রধান পেশা এবং কোটি কোটি মানুষ এতে জড়িত। সরকার গঠিত হলে ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে, যা প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করবে এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
তরুণদের বেকারত্ব দূর করতে দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। আইটি ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। বিদেশে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য স্বল্পসুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা থাকবে।
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যারা ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেবেন, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জন্য। ধর্মীয় নেতাদের জন্যও সম্মানজনক জীবনযাপনের ব্যবস্থা থাকবে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি একটি নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বিচার হবে। জনগণই সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস—এই বিশ্বাস থেকেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ পুনর্গঠনের আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পুনর্গঠন ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ধানের শীষ জয়ী হলে বিএনপি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের কাজ করবে।
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়ে তারেক রহমান বলেন, নারী, কৃষক, তরুণ ও ধর্মীয় নেতাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীকরণ এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পরিকল্পনা বিএনপির মূল অঙ্গ।
তারেক রহমান আরও জানান, তিনি ও তার ভাই এই এলাকাতেই বড় হয়েছেন এবং তাদের পরিবার ও সন্তানদের জন্মও এখানে। ফলে এলাকার সঙ্গে তাদের গভীর পারিবারিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ সময় এই এলাকাতে কাটিয়েছেন, যা দলের রাজনৈতিক পরিচয়কে আরও শক্তিশালী করেছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় জনগণের প্রত্যাশা বাড়ে এবং বিএনপির মতো একটি বড় দলের প্রতি মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএনপি কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করতে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকার গঠন করলে দেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীকরণে গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, বিএনপি সরকার গঠন করলে গৃহিণী ও মায়েদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে ন্যূনতম আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। শিক্ষিত ও প্রান্তিক নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা হবে।
কৃষি খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষিই বাংলাদেশের প্রধান পেশা এবং কোটি কোটি মানুষ এতে জড়িত। সরকার গঠিত হলে ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে, যা প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করবে এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
তরুণদের বেকারত্ব দূর করতে দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। আইটি ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। বিদেশে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য স্বল্পসুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা থাকবে।
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যারা ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেবেন, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জন্য। ধর্মীয় নেতাদের জন্যও সম্মানজনক জীবনযাপনের ব্যবস্থা থাকবে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি একটি নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বিচার হবে। জনগণই সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস—এই বিশ্বাস থেকেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ পুনর্গঠনের আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন