ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

এপস্টিন-কাণ্ডের বিতর্কে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিফ অব স্টাফের পদত্যাগ


 নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

এপস্টিন-কাণ্ডের বিতর্কে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিফ অব স্টাফের পদত্যাগ


২০২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (রোববার) এক বিবৃতিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর শীর্ষ সহযোগী মর্গান ম্যাকসুইনি। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে প্রয়াত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টিনের ঘনিষ্ঠতার তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর যুক্তরাজ্যে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়, যার ধারাবাহিকতায় এই পদত্যাগের ঘটনা ঘটে।

মর্গান ম্যাকসুইনি তার বিবৃতিতে বলেন, গভীরভাবে চিন্তা করার পর তিনি সরকারের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেন, পিটার ম্যান্ডেলসনকে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল এবং এতে দল, দেশ ও রাজনীতির প্রতি জনগণের আস্থার ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ম্যান্ডেলসনের নিয়োগের বিষয়ে তিনি নিজেই প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং সেই পরামর্শের পূর্ণ দায় তিনি নিচ্ছেন।

এপস্টিন সংক্রান্ত নতুন নথি মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশ করার পর যুক্তরাজ্যে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। লেবার পার্টির আইনপ্রণেতারা ম্যান্ডেলসনের রাষ্ট্রদূত নিয়োগের জন্য মর্গান ম্যাকসুইনিকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন।

মর্গান ম্যাকসুইনির বয়স ৪৮ বছর। তিনি লর্ড ম্যান্ডেলসনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আশ্রয়দাতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিরোধী দল এবং লেবার পার্টির কিছু আইনপ্রণেতার অভিযোগ, রাষ্ট্রদূত নিয়োগের আগে ম্যান্ডেলসনের অতীত কর্মকাণ্ড যথাযথভাবে যাচাই করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এক বিবৃতিতে বলেন, মর্গান ম্যাকসুইনির সঙ্গে কাজ করা তার জন্য ‘সম্মানের’ ছিল। তিনি জানান, মর্গান ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

এপস্টিন-কাণ্ড ঘিরে এই পদত্যাগ যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নতুন করে আস্থার প্রশ্ন ও সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


এপস্টিন-কাণ্ডের বিতর্কে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিফ অব স্টাফের পদত্যাগ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


২০২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (রোববার) এক বিবৃতিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর শীর্ষ সহযোগী মর্গান ম্যাকসুইনি। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে প্রয়াত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টিনের ঘনিষ্ঠতার তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর যুক্তরাজ্যে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়, যার ধারাবাহিকতায় এই পদত্যাগের ঘটনা ঘটে।

মর্গান ম্যাকসুইনি তার বিবৃতিতে বলেন, গভীরভাবে চিন্তা করার পর তিনি সরকারের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেন, পিটার ম্যান্ডেলসনকে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল এবং এতে দল, দেশ ও রাজনীতির প্রতি জনগণের আস্থার ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ম্যান্ডেলসনের নিয়োগের বিষয়ে তিনি নিজেই প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং সেই পরামর্শের পূর্ণ দায় তিনি নিচ্ছেন।

এপস্টিন সংক্রান্ত নতুন নথি মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশ করার পর যুক্তরাজ্যে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। লেবার পার্টির আইনপ্রণেতারা ম্যান্ডেলসনের রাষ্ট্রদূত নিয়োগের জন্য মর্গান ম্যাকসুইনিকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন।

মর্গান ম্যাকসুইনির বয়স ৪৮ বছর। তিনি লর্ড ম্যান্ডেলসনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আশ্রয়দাতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিরোধী দল এবং লেবার পার্টির কিছু আইনপ্রণেতার অভিযোগ, রাষ্ট্রদূত নিয়োগের আগে ম্যান্ডেলসনের অতীত কর্মকাণ্ড যথাযথভাবে যাচাই করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এক বিবৃতিতে বলেন, মর্গান ম্যাকসুইনির সঙ্গে কাজ করা তার জন্য ‘সম্মানের’ ছিল। তিনি জানান, মর্গান ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

এপস্টিন-কাণ্ড ঘিরে এই পদত্যাগ যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নতুন করে আস্থার প্রশ্ন ও সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ