গাইবান্ধা জেলার গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন ৩২, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) এখন নির্বাচনী আমেজে মুখরিত। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করাই এখন স্থানীয় প্রশাসনের প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, এই আসনে ছয় প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন- শামীম কায়সার (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, ধানের শীষ), ডা. আব্দুর রহিম সরকার (জামায়াতে ইসলামী, দাঁড়িপাল্লা), কাজী মশিউর রহমান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), তৌহিদুল ইসলাম তুহিন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখা), আতোয়ারুল ইসলাম (বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, কোদাল) এবং অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ আকন্দ (স্বতন্ত্র প্রার্থী, মোটরসাইকেল)।
একটি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩৭৪ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার সংখ্যা পুরুষ ভোটারের চেয়ে বেশি। পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৩১ হাজার ৬২৮ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪৬ জন। এছাড়া ১০ জন হিজড়া ভোটারও তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
উপজেলার মোট ১৪২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রশাসন ১১০টিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে ৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৮টি মাদ্রাসা, ২টি কলেজ এবং অন্যান্য ২টি কেন্দ্র।
নির্বাচনী সহিংসতা ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ও নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। র্যাব, পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি মাঠে থাকবেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। বিজিবি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে এবং সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মোবাইল টিম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করবেন।
শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, “নির্বাচনে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন, সেজন্য পুরো নির্বাচনী এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হবে।”
ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রার্থীদের গণসংযোগ ও ভোটারদের হিসাব-নিকাশে সরগরম হয়ে উঠছে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি জনপদ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধা জেলার গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন ৩২, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) এখন নির্বাচনী আমেজে মুখরিত। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করাই এখন স্থানীয় প্রশাসনের প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, এই আসনে ছয় প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন- শামীম কায়সার (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, ধানের শীষ), ডা. আব্দুর রহিম সরকার (জামায়াতে ইসলামী, দাঁড়িপাল্লা), কাজী মশিউর রহমান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), তৌহিদুল ইসলাম তুহিন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখা), আতোয়ারুল ইসলাম (বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, কোদাল) এবং অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ আকন্দ (স্বতন্ত্র প্রার্থী, মোটরসাইকেল)।
একটি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩৭৪ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার সংখ্যা পুরুষ ভোটারের চেয়ে বেশি। পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৩১ হাজার ৬২৮ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪৬ জন। এছাড়া ১০ জন হিজড়া ভোটারও তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
উপজেলার মোট ১৪২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রশাসন ১১০টিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে ৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৮টি মাদ্রাসা, ২টি কলেজ এবং অন্যান্য ২টি কেন্দ্র।
নির্বাচনী সহিংসতা ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ও নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। র্যাব, পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি মাঠে থাকবেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। বিজিবি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে এবং সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মোবাইল টিম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করবেন।
শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, “নির্বাচনে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন, সেজন্য পুরো নির্বাচনী এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হবে।”
ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রার্থীদের গণসংযোগ ও ভোটারদের হিসাব-নিকাশে সরগরম হয়ে উঠছে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি জনপদ।

আপনার মতামত লিখুন