ভোটের তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে, বরগুনার দুই সংসদীয় আসনে ততই বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ। বরগুনা-১ ও বরগুনা-২, দুটি আসনেই প্রার্থীদের মধ্যে চলছে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন প্রার্থী ও তাদের নেতা-কর্মীরা। প্রশাসন জানাচ্ছে, তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুত।
বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী নদীবেষ্টিত জেলা বরগুনায় প্রায় ১০ লাখ ১০ হাজার মানুষ আছেন, যারা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। এই জেলায় মোট ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বরগুনা-১ আসন; বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে গঠিত বরগুনা-১ সংসদীয় আসনে চারজন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। ভোটারদের মতে, মূল লড়াই হবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহর মধ্যে। ভোটাররা চান, উন্নয়নমুখী ও সৎ নেতৃত্ব দিতে সক্ষম প্রার্থীকে নির্বাচিত করা হোক।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাদের সমর্থকদের হুমকি দিচ্ছে। তিনি প্রশাসনের আরও কার্যকর ভূমিকার দাবি জানান। বিএনপির প্রার্থী বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে ভোটাররা এবার তাদের ওপর আস্থা রাখবেন।
বরগুনা-২ আসন; বামনা, বেতাগী ও পাথরঘাটা উপজেলা নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটারদের মতে, মূল লড়াই হবে বিএনপি মনোনীত সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদের মধ্যে। স্থানীয়রা বলছেন, অভিজ্ঞতার কারণে কিছুটা এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী।
জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন বিএনপিকে সুবিধা দিচ্ছে। তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবি জানান। বিএনপির প্রার্থী বলেছেন, তার হাত ধরেই এলাকায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে, তাই এবারও ভোটাররা তাকেই নির্বাচিত করবেন।
নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা জানিয়েছেন, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলাজুড়ে ৩১২টি ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবেন ৮ লাখ ৫৭ হাজার ২১৩ জন ভোটার। এছাড়াও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবেন আরও ১১ হাজার ৩০২ জন ভোটার।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোটের তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে, বরগুনার দুই সংসদীয় আসনে ততই বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ। বরগুনা-১ ও বরগুনা-২, দুটি আসনেই প্রার্থীদের মধ্যে চলছে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন প্রার্থী ও তাদের নেতা-কর্মীরা। প্রশাসন জানাচ্ছে, তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুত।
বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী নদীবেষ্টিত জেলা বরগুনায় প্রায় ১০ লাখ ১০ হাজার মানুষ আছেন, যারা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। এই জেলায় মোট ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বরগুনা-১ আসন; বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে গঠিত বরগুনা-১ সংসদীয় আসনে চারজন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। ভোটারদের মতে, মূল লড়াই হবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহর মধ্যে। ভোটাররা চান, উন্নয়নমুখী ও সৎ নেতৃত্ব দিতে সক্ষম প্রার্থীকে নির্বাচিত করা হোক।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাদের সমর্থকদের হুমকি দিচ্ছে। তিনি প্রশাসনের আরও কার্যকর ভূমিকার দাবি জানান। বিএনপির প্রার্থী বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে ভোটাররা এবার তাদের ওপর আস্থা রাখবেন।
বরগুনা-২ আসন; বামনা, বেতাগী ও পাথরঘাটা উপজেলা নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটারদের মতে, মূল লড়াই হবে বিএনপি মনোনীত সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদের মধ্যে। স্থানীয়রা বলছেন, অভিজ্ঞতার কারণে কিছুটা এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী।
জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন বিএনপিকে সুবিধা দিচ্ছে। তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবি জানান। বিএনপির প্রার্থী বলেছেন, তার হাত ধরেই এলাকায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে, তাই এবারও ভোটাররা তাকেই নির্বাচিত করবেন।
নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা জানিয়েছেন, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলাজুড়ে ৩১২টি ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবেন ৮ লাখ ৫৭ হাজার ২১৩ জন ভোটার। এছাড়াও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবেন আরও ১১ হাজার ৩০২ জন ভোটার।

আপনার মতামত লিখুন